প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পড়বি তো পড় মালির ঘাড়ে!

ডেস্ক রিপোর্ট : এ যেন ‘পড়বি তো পড় মালির ঘাড়ে’! মহিষের মাংসকে গরম্নর মাংস বলে বিক্রি করছিলেন ব্যবসায়ী নূরম্নল ইসলাম। দীর্ঘ দিন থেকে এমন অপকর্মে ভোক্তাদের পকেট কাটছিলেন। অবশেষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে হাতেনাতে ধরা খেলেন তিনি। এরপর সাজা থেকে বাঁচতে গুনলেন নগদ জরিমানা।
বুধবার দুপুরে রাজশাহীর সাহেব বাজার মাংসপট্টিতে কৌশলগতভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জেলা প্রশাসন।

অভিযানে ক্রেতা সেজে গরম্নর মাস কিনতে যান রাজশাহী জেলা প্রশাসনের ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) শরীফ আসিফ রহমান। এ সময় গরম্নর মাংস বলে তার কাছে সাড়ে ৪শ টাকা কেজি দরে মহিষের মাংস বিক্রি করলে হাতেনাতে ধরা পড়েন মাংস বিক্রেতা নূরম্নল ইসলাম।

পরে ভোক্তা অধিকার আইনে তাকে নগদ দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে সাহেব বাজার মাংসপট্টি এলাকার অন্য অসাধু ব্যবসায়ীরাও তড়িঘড়ি করে মহিষের মাংস সরিয়ে ফেলেন। ফলে আর কারও দোকানে মহিষের মাংস পায়নি জেলা ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এনডিসি শরীফ আসিফ রহমান জানান, পুলিশের সহায়তায় জনস্বার্থে ভোক্তা অধিকার আইনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

সাহেব বাজার এলাকার নবরূপ মিষ্টান্ন ভা-ারে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে দেখা যায়, এক কেজি ওজনের মিষ্টির প্যাকেটের ওজন ১শ গ্রাম। অর্থাৎ ভোক্তাকে কেজিতে ১শ গ্রাম করে মিষ্টি কম দিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এ সময় ভোক্তা অধিকার আইনে নবরূপ মিষ্টান্ন ভা-ারকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া মৌচাক মিষ্টি শপে অভিযান চালিয়ে দেখা যায়, ৫শ গ্রামের প্যাকেটে ৫০ গ্রাম করে ওজন কম দিচ্ছে। এজন্য তাদের দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানকে এ ব্যাপারে সতর্ক করে দেয়া হয়। তারাও মুচলেকা দেন।

জনস্বার্থে মহানগরী বিভিন্ন এলাকায় রাজশাহী জেলা প্রশাসনের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান এনডিসি শরীফ আসিফ রহমান। যায়যায়দিন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত