শিরোনাম
◈ স্বাভাবিকভাবে পাকা আম চেনার ৫টি উপায় গুলো জানুন কি কি ◈ মার্কিন গ্যাস স্টেশনের সিস্টেমে সাইবার হামলা, সন্দেহের তীর ইরানের দিকে! ◈ হরমুজ বাইপাস করে তেল রপ্তানি দ্বিগুণ করতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত! ◈ সংক‌টে পড়‌তে যা‌চ্ছে ভার‌তের স‌ঙ্গে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি? ◈ দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাজুস ◈ আইপিএল শে‌ষে চাকরি যাচ্ছে অধিনায়কের, ছাঁটাই হ‌চ্ছে পুরো কোচিং স্টাফ!  ◈ চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ ইরানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি, সাবেক মার্কিন গোয়েন্দার খোঁজে এফবিআইয়ের ২ লাখ ডলার পুরস্কার ঘোষণা ◈ মধ্যপ্রাচ্যে আটকে থেকেও দিনে ১৬ লাখ টাকা আয় করছে বাংলাদেশি জাহাজ, কীভাবে ◈ ট্রাম্প-শি বৈঠকের পর রহস্য ঘনীভূত: চুক্তি হলো, নাকি কূটনৈতিক চাল?

প্রকাশিত : ২৩ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৩:৪৪ রাত
আপডেট : ২৩ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৩:৪৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘জাতিসংঘকে সম্পৃক্ত করতে হবে’ : ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন

খন্দকার আলমগীর হোসাইন : এখানে পূর্ণাঙ্গ চুক্তি হতে হবে। কমপক্ষে জাতিসংঘকে সম্পৃক্ত করে এই চুক্তি হতে হবে। কারণ তৃতীয় পক্ষ হিসাবে জাতিসংঘ একটা সমঝোতা করে দিতে পারে। বিশেষ করে মানবাধিকার দিকটা দেখতে হবে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনকেও সাথে রাখতে হবে। কারণ মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে বলেই তারা এখানে আসছে। এখন তারা ফিরে গেলে যে আবার মানবাধিকার লঙ্ঘন হবে না এর নিশ্চয়তা কে দিবে।

সুতরাং এই সমস্যা সমাধানের জন্য অবশ্যই জাতিসংঘ, ভারত ও চায়নাকে সাথে নিয়ে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকারসহ তাদের নাগরিকত্ব এবং সম্পত্তি সবমিলিয়ে একটা দৃশ্যমান চুক্তি হওয়া প্রয়োজন। আমাদের অর্থনীতির সাথে আলাপকালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এই সব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, সরকার এখানে একটা চুক্তিও করতে পারেনি। কেউ কার্যপত্র বলছে, কেউ ব্যবস্থাপত্র বলছে। একেকজন একেক কথা বলছে। এটা মূলত কোনো চুক্তিই না। আর যদি বাই লেটারের কোনো চুক্তি করে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমার, এটা কোনো দিন বাস্থবায়ন সম্ভব হবে না। এখানে যদি জাতিসংঘ এবং ক্ষমতাধর প্রতিবেশী ইন্ডিয়া আর চায়নাকে সাথে নিয়ে যদি সমঝোতা না হয় তাহলে এই ধরনের কার্যপত্র দিয়ে এর সমাধান হবে না। কেননা রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত যাওয়া ব্যাপারে তাদের পূর্বশর্ত থাকবেই। কারণ তারা তো এখানে মনের সুখে ঘুরতে আসেনি।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা এসেছে কারণ তাদের ওখানে গণহত্যা করা হয়েছে, নির্যাতন করা হয়েছে, ধর্ষণ করা হয়েছে। তারা ফিরে গেলে তাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব দেয়া হবে কিনা, তাদের পূর্ব পুরুষের যে সম্পত্তি তাদের ছিল, তা ফিরিয়ে দেওয়া হবে কিনা, তা নিশ্চিত না হয়ে তারা যাবে কেন? বাংলাদেশ সরকার এবং মিয়ানমার কার্যপত্র বা ব্যবস্থাপত্র করলেই যে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে এটা আমরা মনে করি না।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়