শিরোনাম
◈ ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুলের শপথ আজ: বঙ্গভবনে অতিথিদের ভিড়, জোরদার নিরাপত্তা ◈ ইউরোপে অনিয়মিত অভিবাসন কঠিন, ঝুঁকিতে বাংলাদেশি তরুণদের স্বপ্ন ◈ বিমান থেকে সরানো হচ্ছে আফরোজাকে, পাচ্ছেন যে মন্ত্রণালয় ◈ সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্ক সামরিক জোটে বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদান নিয়ে যা বলছে ভারত ◈ রাজস্থানে ককরোচ পার্টির ওপর হামলা, বিজেপির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ◈ তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর দিয়ে আবার প্রত্যাহার করল ভারত ◈ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও চারজন, শপথ আজ সন্ধ্যায় ◈ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য সরকারের নির্দেশনা ◈ শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বড় বাজেট বাস্তবায়ন করেছে বিএনপি সরকার: অর্থমন্ত্রী ◈ জিন্নাহর গোপন রোগের তথ্য ফাঁস, ৭৯ বছর পর পুরস্কৃত দুই চিকিৎসক

প্রকাশিত : ২৩ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৩:৪৪ রাত
আপডেট : ২৩ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৩:৪৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘জাতিসংঘকে সম্পৃক্ত করতে হবে’ : ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন

খন্দকার আলমগীর হোসাইন : এখানে পূর্ণাঙ্গ চুক্তি হতে হবে। কমপক্ষে জাতিসংঘকে সম্পৃক্ত করে এই চুক্তি হতে হবে। কারণ তৃতীয় পক্ষ হিসাবে জাতিসংঘ একটা সমঝোতা করে দিতে পারে। বিশেষ করে মানবাধিকার দিকটা দেখতে হবে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনকেও সাথে রাখতে হবে। কারণ মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে বলেই তারা এখানে আসছে। এখন তারা ফিরে গেলে যে আবার মানবাধিকার লঙ্ঘন হবে না এর নিশ্চয়তা কে দিবে।

সুতরাং এই সমস্যা সমাধানের জন্য অবশ্যই জাতিসংঘ, ভারত ও চায়নাকে সাথে নিয়ে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকারসহ তাদের নাগরিকত্ব এবং সম্পত্তি সবমিলিয়ে একটা দৃশ্যমান চুক্তি হওয়া প্রয়োজন। আমাদের অর্থনীতির সাথে আলাপকালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এই সব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, সরকার এখানে একটা চুক্তিও করতে পারেনি। কেউ কার্যপত্র বলছে, কেউ ব্যবস্থাপত্র বলছে। একেকজন একেক কথা বলছে। এটা মূলত কোনো চুক্তিই না। আর যদি বাই লেটারের কোনো চুক্তি করে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমার, এটা কোনো দিন বাস্থবায়ন সম্ভব হবে না। এখানে যদি জাতিসংঘ এবং ক্ষমতাধর প্রতিবেশী ইন্ডিয়া আর চায়নাকে সাথে নিয়ে যদি সমঝোতা না হয় তাহলে এই ধরনের কার্যপত্র দিয়ে এর সমাধান হবে না। কেননা রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত যাওয়া ব্যাপারে তাদের পূর্বশর্ত থাকবেই। কারণ তারা তো এখানে মনের সুখে ঘুরতে আসেনি।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা এসেছে কারণ তাদের ওখানে গণহত্যা করা হয়েছে, নির্যাতন করা হয়েছে, ধর্ষণ করা হয়েছে। তারা ফিরে গেলে তাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব দেয়া হবে কিনা, তাদের পূর্ব পুরুষের যে সম্পত্তি তাদের ছিল, তা ফিরিয়ে দেওয়া হবে কিনা, তা নিশ্চিত না হয়ে তারা যাবে কেন? বাংলাদেশ সরকার এবং মিয়ানমার কার্যপত্র বা ব্যবস্থাপত্র করলেই যে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে এটা আমরা মনে করি না।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়