শিরোনাম
◈ জুলাই আন্দোলনকারীরাই একদিন বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে: প্রধান উপদেষ্টা ◈ শ্রমিক নেতা বাসু হত্যা: ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড ◈ খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে ভারতের রাজ্যসভা ◈ স্বর্ণের ভরি কি খুব শিগগিরই ৩ লাখ টাকা ছাড়াবে? ◈ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে বিরোধে বাংলাদেশকে কেন সমর্থন দিচ্ছে পাকিস্তান? ◈ ২০২৯ সা‌লের ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজন করতে আগ্রহী ব্রাজিল ◈ বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ: অসহিষ্ণু হয়ে উঠছে নির্বাচনি প্রচার ◈ জামায়াত হিন্দুদের জামাই আদরে রাখবে, একটা হিন্দুরও ভারতে যাওয়া লাগবে না : জামায়াত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী (ভিডিও) ◈ মার্চে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের ৩৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ  ◈ বিশ্বকাপ থে‌কে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়া ক্রিকেটের জন্য বাজে দৃষ্টান্ত : এ‌বি ডি ভিলিয়ার্স

প্রকাশিত : ২৩ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৩:৪৪ রাত
আপডেট : ২৩ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৩:৪৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘জাতিসংঘকে সম্পৃক্ত করতে হবে’ : ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন

খন্দকার আলমগীর হোসাইন : এখানে পূর্ণাঙ্গ চুক্তি হতে হবে। কমপক্ষে জাতিসংঘকে সম্পৃক্ত করে এই চুক্তি হতে হবে। কারণ তৃতীয় পক্ষ হিসাবে জাতিসংঘ একটা সমঝোতা করে দিতে পারে। বিশেষ করে মানবাধিকার দিকটা দেখতে হবে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনকেও সাথে রাখতে হবে। কারণ মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে বলেই তারা এখানে আসছে। এখন তারা ফিরে গেলে যে আবার মানবাধিকার লঙ্ঘন হবে না এর নিশ্চয়তা কে দিবে।

সুতরাং এই সমস্যা সমাধানের জন্য অবশ্যই জাতিসংঘ, ভারত ও চায়নাকে সাথে নিয়ে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকারসহ তাদের নাগরিকত্ব এবং সম্পত্তি সবমিলিয়ে একটা দৃশ্যমান চুক্তি হওয়া প্রয়োজন। আমাদের অর্থনীতির সাথে আলাপকালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এই সব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, সরকার এখানে একটা চুক্তিও করতে পারেনি। কেউ কার্যপত্র বলছে, কেউ ব্যবস্থাপত্র বলছে। একেকজন একেক কথা বলছে। এটা মূলত কোনো চুক্তিই না। আর যদি বাই লেটারের কোনো চুক্তি করে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমার, এটা কোনো দিন বাস্থবায়ন সম্ভব হবে না। এখানে যদি জাতিসংঘ এবং ক্ষমতাধর প্রতিবেশী ইন্ডিয়া আর চায়নাকে সাথে নিয়ে যদি সমঝোতা না হয় তাহলে এই ধরনের কার্যপত্র দিয়ে এর সমাধান হবে না। কেননা রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত যাওয়া ব্যাপারে তাদের পূর্বশর্ত থাকবেই। কারণ তারা তো এখানে মনের সুখে ঘুরতে আসেনি।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা এসেছে কারণ তাদের ওখানে গণহত্যা করা হয়েছে, নির্যাতন করা হয়েছে, ধর্ষণ করা হয়েছে। তারা ফিরে গেলে তাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব দেয়া হবে কিনা, তাদের পূর্ব পুরুষের যে সম্পত্তি তাদের ছিল, তা ফিরিয়ে দেওয়া হবে কিনা, তা নিশ্চিত না হয়ে তারা যাবে কেন? বাংলাদেশ সরকার এবং মিয়ানমার কার্যপত্র বা ব্যবস্থাপত্র করলেই যে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে এটা আমরা মনে করি না।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়