শিরোনাম
◈ গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একই পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যা ◈ শক্তি বাড়াচ্ছে এনসিপি, যুক্ত হচ্ছেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ◈ চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ◈ টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, সংসদ সদস্যসহ আহত অর্ধশত ◈ নেইমার সবসময়ই সেরাদের একজন, বিশ্বকা‌পেও তা‌কে দেখ‌তে চাই: মে‌সি ◈ নন্দীগ্রামের ‘জায়ান্ট কিলার’ শুভেন্দু অধিকারী এখন মুখ‌্যমন্ত্রী ◈ ক্রিকেটের নিয়মে বদল চেয়ে সৌরভের দ্বারস্থ সু‌নীল গাভাস্কার ◈ আজ তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে বসবেন তারেক রহমান, শৃঙ্খলা নিয়ে কঠোর বার্তার ইঙ্গিত ◈ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ট্রাক উল্টে ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ◈ ব্রিগেডে আজ শপথ নিবেন শুভেন্দু, উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদিসহ ২০ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৩ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৩:৪৪ রাত
আপডেট : ২৩ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৩:৪৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘জাতিসংঘকে সম্পৃক্ত করতে হবে’ : ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন

খন্দকার আলমগীর হোসাইন : এখানে পূর্ণাঙ্গ চুক্তি হতে হবে। কমপক্ষে জাতিসংঘকে সম্পৃক্ত করে এই চুক্তি হতে হবে। কারণ তৃতীয় পক্ষ হিসাবে জাতিসংঘ একটা সমঝোতা করে দিতে পারে। বিশেষ করে মানবাধিকার দিকটা দেখতে হবে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনকেও সাথে রাখতে হবে। কারণ মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে বলেই তারা এখানে আসছে। এখন তারা ফিরে গেলে যে আবার মানবাধিকার লঙ্ঘন হবে না এর নিশ্চয়তা কে দিবে।

সুতরাং এই সমস্যা সমাধানের জন্য অবশ্যই জাতিসংঘ, ভারত ও চায়নাকে সাথে নিয়ে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকারসহ তাদের নাগরিকত্ব এবং সম্পত্তি সবমিলিয়ে একটা দৃশ্যমান চুক্তি হওয়া প্রয়োজন। আমাদের অর্থনীতির সাথে আলাপকালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এই সব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, সরকার এখানে একটা চুক্তিও করতে পারেনি। কেউ কার্যপত্র বলছে, কেউ ব্যবস্থাপত্র বলছে। একেকজন একেক কথা বলছে। এটা মূলত কোনো চুক্তিই না। আর যদি বাই লেটারের কোনো চুক্তি করে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমার, এটা কোনো দিন বাস্থবায়ন সম্ভব হবে না। এখানে যদি জাতিসংঘ এবং ক্ষমতাধর প্রতিবেশী ইন্ডিয়া আর চায়নাকে সাথে নিয়ে যদি সমঝোতা না হয় তাহলে এই ধরনের কার্যপত্র দিয়ে এর সমাধান হবে না। কেননা রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত যাওয়া ব্যাপারে তাদের পূর্বশর্ত থাকবেই। কারণ তারা তো এখানে মনের সুখে ঘুরতে আসেনি।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা এসেছে কারণ তাদের ওখানে গণহত্যা করা হয়েছে, নির্যাতন করা হয়েছে, ধর্ষণ করা হয়েছে। তারা ফিরে গেলে তাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব দেয়া হবে কিনা, তাদের পূর্ব পুরুষের যে সম্পত্তি তাদের ছিল, তা ফিরিয়ে দেওয়া হবে কিনা, তা নিশ্চিত না হয়ে তারা যাবে কেন? বাংলাদেশ সরকার এবং মিয়ানমার কার্যপত্র বা ব্যবস্থাপত্র করলেই যে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে এটা আমরা মনে করি না।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়