শিরোনাম
◈ রূপপুরের প্রথম ইউনিটের নতুন ইউরেনিয়াম দেশে পৌঁছেছে ◈ এল নিনোর প্রভাবে ফুলে ফুলে সেজেছে আতাকামা মরুভূমি (ভিডিও) ◈ ইরানে নতুন হামলার প্রস্তুতি, মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ◈ আখতারুজ্জামানকে অবিলম্বে মুক্তি দিন: জামায়াত আমির ◈ ‘ডিবি ভাই, একটু হ্যান্ডকাফ পরায়া নিয়ে যান না ভাই’: গ্রেফতারের সময় আখতারুজ্জামান ◈ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউরেনিয়াম আসছে আজ রাতে ◈ বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট ◈ নেতানিয়াহু ও আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মিলে বিমান ছিনতাইয়ের নাটক সাজিয়েছেন: প্রেস টিভি ◈ অনূর্ধ্ব-১৯ পা‌কিস্তান নারী দল‌কে হারা‌লো বাংলা‌দেশ ◈ বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেফতার

প্রকাশিত : ২২ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৯:২৫ সকাল
আপডেট : ২২ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৯:২৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঢাবির শিক্ষার্থীদের স্বার্থবিঘ্নিত হওয়ার যৌক্তিক কারণ নেই: ড. সৈয়দ আনোয়ার

আশিক রহমান: লেখাপড়ার গুণগত মান নিশ্চিত, সেশনজট কমানোসহ বেশকিছু সমস্যা নিরসনে ২০১৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ৭ কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়। এরপরও সব কলেজে সময় মতো পরিক্ষা ও ফল প্রকাশ হয়নি। একাডেমিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। ঠিক সময়ে ফল প্রকাশ না হওয়ায় বাধ্য হয়েই আন্দলনে নামে শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে ঢাবির শিক্ষার্থীরা এ অধিভুক্তি বাতিলের দাবিতে আন্দোলন শুরু হবে। এমন অবস্থায় ঢাবি শনিবার তার অবস্থান পরিষ্কার করে বলেছে, প্রস্তুতি ছাড়াই সাত সরকারি কলেজের অধিভুক্তির ফলে কিছু সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলরা বলেছেন, প্রশাসনিক শৈথিল্যতার কারণে কিছু সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। তবে অধিভুক্ত হওয়ায় ঢাবি শিক্ষার্থীদের স্বার্থবিঘ্নিত হয়নি বলেও মনে করেন তারা।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার আগে ঢাকা বিভাগের সব কলেজই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ছিল। তাতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বার্থবিঘ্নিত হয়নি। সাতটি সরকারি কলেজ অধিভুক্ত হওয়ার ফলে ঢাবি শিক্ষার্থীদের স্বার্থবিঘ্নিত হওয়ার যৌক্তিক কারণ নেই বলে মনে করেন ইতিহাসবিদ অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন।

তিনি বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীরা কেন আন্দোলন করছে তা আমার কাছে বোধগম্য নয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যেভাবে আন্দোলনটি মোকাবিলা করছে তা নিয়ে আমার নানাবিধও প্রশ্ন আছে। আমাদের দেশের যে কোনো আন্দোলন মানেই জ্বালাওপোড়াও, ভাঙচুর। সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে আমি ব্যতিক্রম আশা করেছিলাম, সেটা হয়নি। আবার ঢাবি কর্তৃপক্ষ অজ্ঞাতনামা ৫০ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে, এটি নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত। কারণ শিক্ষার্থীদের অভিভাবক হচ্ছেন শিক্ষক। তারা শিক্ষকদের সন্তানতুল্য। সন্তানের বিরুদ্ধে পিতা কখনো মামলা করতে পারেন না। যা করা উচিত ছিল, সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষী যারা তাদের সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মেই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া। সব মিলিয়েই ক্রমেই পরিস্থিতি আয়ত্বের বাইরে চলে যাচ্ছে সুনির্দিষ্ট প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের অভাবে।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন কলেজ অধিভুক্ত করার পরে ঢাবির যে ধরনের প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়া দরকার ছিল, তা অনেকদিন নেয়নি। অনেকটা হালকাভাবে নিয়েছিল তারা। তাতে অধিভুক্ত কলেজের শিক্ষার্থীদের অনেক সমস্যা হয়েছে। আমি মনে করি, ত্রুটি ঢাবি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যায় উভয়েরই আছে। তবে মূল সমস্যা তৈরি হয়েছে প্রশাসনিক শৈথিল্যতা থেকে, যা এখন মোটামুটি ঠিক আছে।

  • সর্বশেষ