প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কালীগঞ্জে মাদক মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত

তরিকুল ইসলাম টিটো, ঝিনাইদহ: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদকে মাদক ও বিষ্ফোরক মামলায় সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

গত ১০ জানুয়ারি, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মোঃ মাহাবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। সর্বশেষ অনুষ্ঠিত দলীয় প্রতিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতিক নিয়ে আবুল কালাম আজাদ উপজেলার ৯ নং বারোবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে জয়লাভ করেন। বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বারোবাজার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ এর বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত জি.আর মামলা নং-১৩৯/২০১৬ এর অভিযোগপত্র নং-২০, গত ৩০/০১/২০১৭ তারিখে বিজ্ঞ আদালতে গৃহীত হওয়ায় এবং উক্ত ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক সংঘটিত অপরাধমূলক কার্যক্রম পরিষদসহ জনস্বার্থের পরিপন্থি বিধায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এর ধারা ৩৪ উপধারা (১) অনুযায়ী উল্লিখিত ইউপি চেয়ারম্যানকে তাঁর স্বীয় পদ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো।

এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) উত্তম কুমার রায় বলেন, আমি বৃহস্পতিবার প্রজ্ঞাপনের কপি হাতে পেয়েছি। হাতে পাওয়ার সাথে সাথেই উক্ত ইউনিয়নের সচিবকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেছি। এখন থেকে ওই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করবেন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজারের নিজ অফিস থেকে দুইটি তাজা বোমা, ১২০ বোতল ফেনসিডিল ও ২৫০ পিচ ইয়াবাসহ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ ও তার বড় ভাই আব্দুস সালাম এবং তার সহযোগি উজ্জল হোসেন, সুমন হোসেন, ও ফরহাদ হোসেনকে আটক করে ঝিনাইদহ র‌্যাব-৬ এর সদস্যরা।

পরের দিন ২৮ অক্টোবর ঝিনাইদহ র‌্যাব-৬ এর ডিএডি মোঃ জহুরুল ইসলাম বাদি হয়ে বারোবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদকে প্রধান আসামি করে মোট ৫ জনের নাম উল্লেখ করে মাদক ও বিস্ফোরক আইনে মামলাটি দায়ের করেন। জি.আর মামলা নং- ১৩৯/২০১৬। এর ৪ দিন পর ২ নভেম্বর কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজারে চেয়ারম্যানের বাড়িতে আরেকটি অভিযান চালায় র‌্যাব। সেখান থেকে ১ টি দেশীয় রিভলবার, ৪ টি শাটার গান, ৩ হাজার বোতল ফেনসিডিল ও ৫ শ’পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অভিযানকালে ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই সোহেল রানা, সোহান ও জামাল নামের অপর এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। সম্পাদনা: উমর ফারুক রকি

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত