শিরোনাম
◈ ট্রাম্পকে ইরানের নেতাদের ‘হত্যা’র আহ্বান মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের ◈ সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ আজ ◈ ৫০ বছর আগের চুক্তিতে বাংলাদেশের ট্রানজিট চায় নেপাল ◈ ‘নেপালকে বাংলাদেশ হতে দেব না’: প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি ◈ কাশ্মীর সীমান্তে একাধিক পাকিস্তানি ড্রোন শনাক্ত: সর্বোচ্চ সতর্কতায় ভারতীয় বাহিনী ◈ চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ থামছেই না: বাড়ছে আতঙ্ক, ঝুঁকিতে যাত্রীরা ◈ এবার বাংলাদেশের ওপর নজরদারি বাড়াতে নতুন নৌঘাঁটি বানাচ্ছে ভারত ◈ ভিয়েতনামে ২০ বছরের মধ্যে আসিয়ানের সবচেয়ে বড় তেলের মজুত সন্ধান! ◈ কাউন্সিল হ্যা বললে ২য় বিয়েতে স্ত্রীর অনুমতি লাগবে না: হাইকোর্ট (ভিডিও) ◈ এক-দুই দিনের মধ্যে ২০-২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা দেবে এনসিপি

প্রকাশিত : ১৫ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৪:৫৪ সকাল
আপডেট : ১৫ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৪:৫৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জঙ্গি বিষয়ে তদন্তকারীদেরও ব্যাকগ্রাউন্ড দেখতে হবে

শাহরিয়ার কবির : অনেক আগে আমরা বলছি যে, ২০০১ সাল থেকে জঙ্গি গ্রেফতার হচ্ছে আবার জামিনে ছাড়া পাচ্ছে। বাংলা ভাইয়ের মতো জঙ্গিও ২০০৩ সালে জামিনে মুক্তি পেয়েছিল। তখনো আমি বলেছিলাম, জঙ্গিদের মামলাগুলো যেভাবে দাঁড় করনো হয়, সেখানে অনেক গলদ থাকে। যার জন্য তারা সহজে জামিন পেয়ে যায়। বিশেষ করে বিএনপি, জামায়াতের আমলে আমরা দেখেছি, জামায়াতের নির্দেশে জঙ্গিদের চার্জশিট তৈরি করা হতো। সেই চার্জশিটগুলো খুবই দুর্বলভাবে করা হতো। তাদের উদ্দেশ্য ছিল, জঙ্গিরা যেন সহজে জামিন পেয়ে যায়। এখনো প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে জামায়াতের লোক বসে আছে। যা পুলিশ বলেন আর বিচার বিভাগ বলেন, সব জায়গায় তাদের লোক আছে। তাদের জামিন পাওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে, দুর্বল চার্জশিট।

অনেক সময় বিচার বিভাগের গাফিলতির কারণে অনেক জঙ্গি জামিন পেয়ে যায়। হাইকোর্টে একটি ঘটনা আমাদের সবারই মনে আছে। ২১ আগস্টের প্রধান আসামি মুফতি হান্নান, যার শেষ পর্যন্ত ফাঁসি হয়ে ছিল। তাকে কিন্তু হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ জামিন দিয়ে ছিল। যে কারণে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে হাইকোর্টের বিচারপতিকে তিরষ্কার করেছিল। সেই কারণে আমরা সব সময় বলি, আইনকে আরও কঠোর করতে হবে। জঙ্গিদের নিয়ে যারা তদন্ত করবে, তাদেরও ব্যাকগ্রাউন্ড দেখতে হবে। তদন্তকারী যদি জামায়াত বা বিএনপির লোক হয়, তাহলে স্বাভাবিকভাবে জঙ্গিরা জামিন পেয়ে যাবে। তাদের জামিন পাওয়ার মধ্যে তিনটি কারণ আছে। প্রশাসনের মধ্যে জামায়াতের অবস্থান, দুর্বল চার্জশিট, আইনের ত্রুটি। ২০০৪ সালে একটি ঘটনা আমি উল্লেখ করে ছিলাম। একজন জঙ্গিকে ধরে জিজ্ঞাসা করা হলো, হুজুর আপনি নাকি এই কাজটি করেছেন, তিনি উত্তরে বললেন, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।

তারপর রিপোর্টে দেওয়া হলো, জিজ্ঞাসাবাদ করে কিছু পাওয়া যায়নি। এর আগে যখন শামসুর রহমানের উপর হামলা করা হলো, তখন তিনজন বিদেশিসহ ৪৮ জনকে ধরা হয়ে ছিল। বিএনপি জামাত ক্ষমতায় এসে তাদের জামিন দিয়ে দেয়। জামিনে নির্দেশ নামায় ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, এত ত্রুটিপূর্ণ চার্জশিট তৈরি হয়েছে তাদের জামিন না দিয়ে উপায় নেই। ১১৫ লাইনের একটি চার্জশিট ছিল। বিচারক নাকি চার্জশিটে লিখে ছিলেন, শোনা যায় আসামি বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছিল। আমার জীবনে কখনো এমন কথা শুনিনি, চার্জশিটে লেখা থাকে শোনা যায় কথাটি ব্যবহার করতে। তাই একটি কঠোর আইন করে, তাদেরকে বিচারাধীন করতে হবে। যেন তাদের ধরার পরে সঠিক বিচার হয়।

পরিচিতি : সভাপতি, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি
মতামত গ্রহণ : গাজী খায়রুল আলম
সম্পাদনা : মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়