শিরোনাম
◈ স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস ও হামে শিশুমৃত্যুর জন্য ড. ইউনূসের বিচার চাইলেন শেখ হাসিনা ◈ ‌বিশ্বকা‌পে ব্রাজিল বনাম মর‌ক্কো ম্যাচের রেফা‌রি দেহব্যবসায় জড়িত মামলার আসা‌মি স্লাভকো ভিনচিচ ◈ আ‌মে‌রিকার বিরু‌দ্ধে যুদ্ধ ব‌ন্ধে ইরান এখন পর্যন্ত চুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়‌নি ◈ ফুটবল বিশ্বকাপের মধ্যেই আজ থে‌কে শুরু হ‌চ্ছে আরো এক বিশ্বকাপ ◈ দিদি আমার পাশে ছিলেন, আমিও তার পাশেই থাকব, কখনোই দিদিকে ছেড়ে যাব না: মমতার পাশে শত্রুঘ্ন সিনহা ◈ আগামী বছর ৪ অ‌ক্টোবর শুরু হ‌বে ওয়ানডে বিশ্বকাপ, আ‌য়োজ‌নে দ.আ‌ফ্রিকা, জিম্বাবু‌য়ে ও না‌মি‌বিয়া ◈ সনের নেতৃত্বে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে মাঠে নামছে এশিয়ার দল দক্ষিণ কোরিয়া ◈ কক্সবাজার, যশোর, রাজশাহী ও সৈয়দপুর হবে নতুন আন্তর্জাতিক গেটওয়ে ◈ অর্থের উৎস নিয়ে বিতর্ক, স্থগিত ‘এশিয়ার সর্ববৃহৎ’ রামমূর্তি নির্মাণ ◈ তৃতীয় ভাষা শিখলে মিলবে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণ

প্রকাশিত : ১৫ নভেম্বর, ২০১৭, ০৮:৩০ সকাল
আপডেট : ১৫ নভেম্বর, ২০১৭, ০৮:৩০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মিয়ানমারে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের ‘গণহত্যার’ প্রমাণ পেয়েছে ইউএস হলোকাস্ট মিউজিয়াম

রাশিদ রিয়াজ : গত এক বছরের তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ ও তদন্তের পর যুক্তরাষ্ট্রের হলোকাস্ট মিউজিয়াম বলছে মিয়ানমারে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর গণহত্যার প্রভূত প্রমাণ পাওয়া গেছে। এধরনের প্রমাণকে তারা ‘মাউন্টিং এভিডেন্স’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছে রোহিঙ্গাদের ওপর এধরনের গণহত্যা পরিকল্পিত ছিল। বুধবার এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে ইউএস হলোকাস্ট। এ প্রতিবেদন তৈরির আগে ২ শতাধিক ব্যক্তির সাক্ষাতকার নেওয়া হয়েছে যাদের মধ্যে রয়েছে রোহিঙ্গা, সাহায্য সংস্থার কর্মী এবং তারা বলেছেন, মিয়ানমারের সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা গত বছর অক্টোবর থেকে রোহিঙ্গাদের ওপর যে পরিকল্পিত অভিযান ও হত্যাযজ্ঞ শুরু করে তা এখনো অব্যাহত রয়েছে। গার্ডিয়ান

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, পরিকল্পিত ও সমন্বিত হামলায় রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে হত্যাযজ্ঞ, নির্বিচারে নারী ধর্ষণ ও তাদের বাড়ি ঘরে আগুন দেওয়া হয়েছে। এধরনের হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করতে মিয়ানমার সরকারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ব্যর্থ হয়েছে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, রোহিঙ্গাদের ওপর সহিংসতা জাতিসংঘ ‘জাতিগত শুদ্ধির পাঠ্যপুস্তক উদাহরণ’ হিসেবে অভিহিত করলেও ‘গণহত্য’ শব্দটি ব্যবহার করেনি যা একটি আইনি সংজ্ঞা ও এ সংজ্ঞায় বিশ্বনেতাদের গণহত্যার কনভেনশনের অধীনে পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন ছিল। একটি সম্প্রদায়কে ইচ্ছাকৃত লক্ষ্যবস্তুতে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংসকেই গণহত্যা বলে অভিহিত করা হয়। সুপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। রোহিঙ্গাদের নাগরিক স্বীকৃতি কেড়ে নেওয়া, ভোটাধিকার হরণ, মৌলিক অধিকার ক্ষুণœ করতে বিভিন্ন আইন প্রণয়ন, তাদের গ্রামগুলোতে ব্যাপক সংখ্যায় সেনা মোতায়েন, ধর্ষণকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার, রকেট চালিত গ্রেনেড নিক্ষেপ করে বাড়ি ঘরে অগ্নিসংযোগের আগে পেট্রোল ব্যবহারের মত বিভিন্ন বিষয়ে প্রমাণ হয়েছে এধরনের গণহত্যা ছিল পূর্বপরিকল্পিত।

হলোকাস্ট মিউজিয়ামের সাইমন-স্কেয়ো কেন্দ্র যেটি গণহত্যার মত অপরাধ প্রতিরোধে কাজ করে তার প্রোগ্রাম ম্যানেজার আন্দ্রিয়া গিটলম্যান বলেন, অবিলম্বে রোহিঙ্গাদের ওপর এধরনের গণহত্যা ও অত্যাচার বন্ধ করা প্রয়োজন ও এর পেছনে যারা আছে তাদের জবাবদিহিতার মধ্যে আনা গুরুত্বপূর্ণ।

ফোরটিফাই রাইটস’এর প্রধান নির্বাহী ম্যাথিউ স্মিথ বলেন, গণহত্যার সংকল্প ছিল কি না তারচেয়েও বড় বিষয় হচ্ছে রোহিঙ্গারা আজকে অস্তিত্বের হুমকির মুখে পড়েছে। গণহত্যার মত অপরাধ বন্ধে এধরনের হত্যা, ধর্ষণ ও সহিংসতা বন্ধে দায়িত্বশীল ভূমিকা থাকা দরকার। কিন্তু এক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী নৈতিক ব্যর্থতা দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ব্যর্থ হয়েছে।

মংগদু শহরের তুলা তলি গ্রামে মিয়ানমারের সেনাদের বিরুদ্ধে শত শত রোহিঙ্গা নারী, শিশু ও পুরুষকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠে এসেছে এ প্রতিবেদনে। তারা সেখানে একটি পাড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার জন্যে অপেক্ষা করছিল। হত্যার পর মিয়ানমার সেনারা তাদের লাশ পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। শিশুদের নদীতে নিক্ষেপ করে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়