স্মার্টফোন ও মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কাছে Discover এখন বেশ পরিচিত একটি ফিচার। ফোনের হোম স্ক্রিনে সোয়াইপ করলে বা অনেক ক্ষেত্রে ক্রোম ব্রাউজারের নতুন ট্যাব খুললে ব্যবহারকারীর আগ্রহ অনুযায়ী বিভিন্ন সংবাদ, আর্টিকেল, ভিডিও ও ওয়েব স্টোরি দেখা যায়। এই ব্যক্তিগতকৃত কনটেন্ট ফিডই হলো গুগল ডিসকভার।
গুগল ডিসকভার হচ্ছে গুগলের একটি ব্যক্তিগতকৃত কনটেন্ট ফিড, যেখানে ব্যবহারকারীর আগ্রহ ও অনলাইন কার্যক্রমের বিভিন্ন সিগন্যালের ভিত্তিতে কনটেন্ট সাজেস্ট করা হয়। সংবাদ, ব্লগ, ভিডিওসহ নানা ধরনের কনটেন্ট এখানে প্রদর্শিত হতে পারে।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কোনো ব্যক্তি নিয়মিত স্মার্টফোন, প্রযুক্তি বা গ্যাজেট নিয়ে সার্চ করলে তার ডিসকভার ফিডে এসব বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত কনটেন্ট বেশি দেখা যেতে পারে।
যেভাবে এটি কাজ করে
গুগল ডিসকভার মূলত ব্যবহারকারীর পছন্দ ও আগ্রহ বুঝে তার জন্য প্রাসঙ্গিক কনটেন্ট বাছাই করে। এর ক্ষেত্রে—
ওয়েবসাইটের জন্য ডিসকভার থেকে পাওয়া ট্রাফিক একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হতে পারে। তবে ডিসকভারে কোনো কনটেন্ট প্রদর্শনের নিশ্চয়তা নেই। ভালো কনটেন্ট ও ব্যবহারকারীকেন্দ্রিক প্রকাশনার মাধ্যমে সম্ভাবনা বাড়ানো যায়।
এক্ষেত্রে কিছু বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—
ওয়েব স্টোরিজ: উপযুক্ত বিষয়ে আকর্ষণীয় ভিজ্যুয়াল কনটেন্ট বা ওয়েব স্টোরি তৈরি করেও ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ রয়েছে।
গুগল ডিসকভার কেন গুরুত্বপূর্ণ?
ওয়েবসাইটের জন্য গুগল ডিসকভার সম্ভাব্য নতুন পাঠকের কাছে কনটেন্ট পৌঁছে দেওয়ার একটি কার্যকর মাধ্যম। বিশেষ করে কোনো কনটেন্ট ব্যবহারকারীর আগ্রহের সঙ্গে মিলে গেলে সার্চ রেজাল্টে সরাসরি খোঁজ না করেও সেটি তাদের ফিডে প্রদর্শিত হতে পারে।
তবে ডিসকভারকে শুধু ট্রাফিক পাওয়ার মাধ্যম হিসেবে না দেখে ভালো ও পাঠককেন্দ্রিক কনটেন্ট প্রকাশের একটি অতিরিক্ত সুযোগ হিসেবে দেখা উচিত। নিয়ম মেনে মানসম্মত কনটেন্ট তৈরি করলে এটি একটি ওয়েবসাইটের পরিচিতি ও পাঠকসংখ্যা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।
সূত্র:যুগান্তর