শিরোনাম
◈ ইতালির তৃতীয় বিভাগ ক্লাব রাভেনা এফসির অংশীদার হলেন রোনালদিনহো ◈ রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শুরু ◈ ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুলের শপথ আজ: বঙ্গভবনে অতিথিদের ভিড়, জোরদার নিরাপত্তা ◈ ইউরোপে অনিয়মিত অভিবাসন কঠিন, ঝুঁকিতে বাংলাদেশি তরুণদের স্বপ্ন ◈ বিমান থেকে সরানো হচ্ছে আফরোজাকে, পাচ্ছেন যে মন্ত্রণালয় ◈ সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্ক সামরিক জোটে বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদান নিয়ে যা বলছে ভারত ◈ রাজস্থানে ককরোচ পার্টির ওপর হামলা, বিজেপির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ◈ তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর দিয়ে আবার প্রত্যাহার করল ভারত ◈ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও চারজন, শপথ আজ সন্ধ্যায় ◈ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য সরকারের নির্দেশনা

প্রকাশিত : ০৪ জুলাই, ২০২৬, ০৯:১১ সকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কক্ষপথ হারাতে বসা টেলিস্কোপ উদ্ধারে রোবোটিক মহাকাশযান পাঠাল নাসা

মহাকাশে ধসে পড়ার ঝুঁকিতে থাকা একটি পুরোনো টেলিস্কোপকে রক্ষা করতে রোবোটিক মহাকাশযান পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। জটিল এই অভিযানটি কয়েক মাস ধরে চলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শুক্রবার ( ৩ জুলাই ) প্যাসিফিক মহাসাগরের মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ থেকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নর্থরপ গ্রুম্যান একটি ‘লিংক’ নামের মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করে, যা তৈরি করেছে কেটালিস্ট স্পেস টেকনোলজিস। একটি পেগাসাস রকেট বিশেষভাবে পরিবর্তিত একটি বিমানের নিচ থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।

উৎক্ষেপণের পর মহাকাশযানটি নাসার ‘সুইফট অবজারভেটরি’ টেলিস্কোপের দিকে যাত্রা শুরু করে। প্রায় এক মাসের মধ্যে এটি টেলিস্কোপটির কাছে পৌঁছে সেটিকে উদ্ধার করার চেষ্টা করবে।

প্রথমে মঙ্গলবার উৎক্ষেপণের কথা থাকলেও আবহাওয়া ও প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে তা পিছিয়ে শুক্রবার সম্পন্ন হয়।

প্রায় ৩ কোটি ডলারের এই ব্যতিক্রমী মিশনের লক্ষ্য হলো- পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা সুইফট টেলিস্কোপকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা। সফল হলে ভবিষ্যতে অন্যান্য পুরোনো স্যাটেলাইটকেও নতুন জীবন দেওয়ার পথ খুলবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

২০০৪ সালে উৎক্ষেপিত সুইফট অবজারভেটরি গামা-রে বিস্ফোরণ নিয়ে গবেষণা করে, যা মহাবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণ হিসেবে পরিচিত। সাম্প্রতিক সৌরঝড়ের কারণে এর কক্ষপথ দ্রুত নিচের দিকে নেমে আসছে।

লিংক মহাকাশযানটি নির্ধারিত কক্ষপথে পৌঁছে সৌর প্যানেল খুলে প্রাথমিক পরীক্ষা সম্পন্ন করবে। এরপর এটি বিশাল মহাকাশে সুইফট টেলিস্কোপকে শনাক্ত করে সেটির চারপাশে ঘুরে তিনটি রোবোটিক বাহুর সাহায্যে ডকিং করবে—যা কয়েক সপ্তাহ সময় নিতে পারে।

সবশেষে এটি টেলিস্কোপটিকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার উপরে তার আগের কক্ষপথের কাছাকাছি স্থানে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করবে। পুরো প্রক্রিয়াটি অন্তত এক মাস সময় নিতে পারে।

নাসার অ্যাস্ট্রোফিজিক্স বিভাগের পরিচালক শন ডোমাগাল-গোল্ডম্যান বলেন, এটি একাধিক নতুন প্রযুক্তির সমন্বয়ে গঠিত একটি মিশন। আমরা চেষ্টা করার সুযোগ পাচ্ছি, এটাই বড় বিষয়।

সূত্র: আলজাজিরা

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়