শিরোনাম
◈ মগবাজার পেয়ারাবাগে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও চার লেন রেলপথের কাজ চলতে বাধা নেই ◈ মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস ◈ ইসরায়েলে ইনটেলের সেমিকন্ডাক্টর কারখানায় বিস্ফোরণ, ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ◈ স্কুলে ভর্তিতে বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর হতে হবে যা জানাগেল ◈ কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব, সেক্রেটারির গাড়ি ভাঙচুর-হামলা ◈ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দুদিন ঘরবাড়ি পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ইতালি, বাংলাদেশে গড়তে চায় এমআরও হাব ◈ রাশিয়ার পর বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের নজর ◈ বুক কাঁপছে আতঙ্কে, তবু থামছে না জীবিকার লড়াই : জীবিকার টানে সৌদি ফিরছেন প্রবাসীরা ◈ রাত গভীর হলেই বাড়ে বিদ্যুতের চাহিদা, ৩ হাজার মেগাওয়াট যাচ্ছে কোথায়?

প্রকাশিত : ০৮ জুলাই, ২০২৪, ০৬:২৬ বিকাল
আপডেট : ১৭ মে, ২০২৫, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্মার্টফোনে সবচেয়ে বেশি আসক্ত ২৪ দেশের মানুষ

শিমুল চৌধুরী ধ্রুব: [২] ফোন ছাড়া এক মুহূর্ত থাকতে পারে না আজকের প্রজন্ম। তবে এই নেশায় কাবু শুধু ছোটরা নয়, বড়রাও। আট থেকে আশি সকলের হাতে একটা জিনিস খুবই কমন, সেটি হল স্মার্টফোন। বিশ্বে এমন কিছু দেশ আছে, যে দেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি স্মার্টফোনে আসক্ত। সম্প্রতি ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় এমন কিছু দেশের নাম উঠে এসেছে। সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া

[৩] এই গবেষণায় স্মার্টফোনে সব থেকে বেশি আসক্তির তালিকায় ২৪টি দেশের জনগনের কথা বলা হয়েছে। দেশগুলো হলো, চীন, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, ব্রাজিল, দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান, কানাডা, তুরস্ক, ইজিপ্ট, নেপাল, ইতালি, অস্ট্রেলিয়া, ইজরায়েল, সার্বিয়া, জাপান, ব্রিটেন, ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রোমানিয়া, নাইজেরিয়া, বেলজিয়াম, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স ও জার্মানি।

[৪] এর মধ্যে প্রথম দশ দেশে স্মার্টফোন ব্যবহার করা হয় সবথেকে বেশি। উক্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, চীনে মোবাইল ডিভাইস ও তার ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবার থেকে বেশি। তা হওয়ার অন্যতম কারণ তাদের জনসংখ্যা এবং সেখানকার ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যের বাজার।

[৫] দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সৌদি আরব। বিশ্বের অন্যতম ধনী দেশগুলোর মধ্যে একটি সৌদি আরব। এখানেও স্মার্টফোন ব্যবহারের সংখ্যা বাকি দেশের থেকে অনেক বেশি। প্রথম তিনটি দেশই এশিয়ার হওয়ায় স্পষ্টতই বোঝা যায়, ইউরোপ এবং আমেরিকার থেকে বেশি স্মার্টফোন ব্যবহার হয় এই মহাদেশে।

[৬] আরেকটি পরিসংখ্যান বলছে, আমেরিকায় ৯৭ শতাংশ নাগরিকের কাছে মোবাইল বা মোবাইলের মতো ডিভাইস রয়েছে। প্রতি ৫ আমেরিকান নাগরিকদের মধ্যে একজনের কাছে রয়েছে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট কানেকশন।

[৭] স্লিকটেক্সটের রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বে ৪৮ শতাংশ স্মার্টফোন ব্যবহারকারী চিন্তায় পড়ে যান, যখন তাদের ফোনের ব্যাটারি ২০ শতাংশ বা তার নীচে নেমে যায়। যাকে নাম দেওয়া হয়েছে মনোফোবিয়া। ইন্টারনেট বা মোবাইল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার যে ভয়, তাকেই বলা হয় মনোফোবিয়া।

  • সর্বশেষ