শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা ◈ ‘পছন্দ না হলে মাজারে নাও আসতে পারেন, আঘাত-ভাঙচুর গ্রহণযোগ্য নয়’ ◈ জনসভা ছাড়িয়ে নিউজফিড: কেন সামাজিক মাধ্যমই এবারের নির্বাচনের মূল ময়দান ◈ উত্তরবঙ্গকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের রাজধানী বানাতে চাই, বেকারত্ব দূর করবো: ডা. শফিকুর রহমান ◈ বিএনপি চাইলে ঢাকা শহরে জামায়াতের কোনো প্রার্থীই রাস্তায় নামতে পারবে না: ইশরাক হোসেন ◈ সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ইসির ◈ এক সপ্তাহে যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার ২৭৮, অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার ◈ নতুন পে-স্কেল, রাজস্ব ঘাটতি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি: পরবর্তী সরকার আর্থিক চাপে পড়বে ◈ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে: মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা ◈ আইসিসিকে ফের চিঠি বিসিবির, নিরপেক্ষ কমিটিতে দাবি পাঠানোর অনু‌রোধ

প্রকাশিত : ১৫ জুলাই, ২০২৪, ১০:৪৩ দুপুর
আপডেট : ১০ মে, ২০২৫, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চার দিন পর সমাধি থেকে বের হয়ে এল কুকুরটি

প্রীতিলতা: [২] ট্রাকের ধাক্কায় কুকুরটির মৃত্যু হয়েছিল ভেবে মাটি খুঁড়ে সমাধিস্থ করা হয়েছিল। কিন্তু চার দিন পর অলৌকিকভাবে সে সমাধি থেকে বেরিয়ে এসেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়েংচিউন শহরের কাছে একটি গ্রামে অবিশ্বাস্য এ ঘটনা ঘটেছে। গ্রামবাসীর কাছে এই কুকুর এখন ‘দেবী’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

[৩] ঘটনাটি ঘটেছে সাত বছর আগে। দক্ষিণ কোরিয়ার এক টিভিতে ‘হোয়াট অন আর্থ’ অনুষ্ঠানে হোসুন নামের এই কুকুরের অলৌকিকভাবে বেঁচে ওঠার কাহিনি উঠে এসেছে তার মালিকের বর্ণনায়। গ্রামের মানুষ বিশ্বাস করেন, কুকুরটি নিজেই সমাধির মাটি সরিয়ে বেরিয়ে এসেছে। এর মাধ্যমে সে নতুন এক জীবন পেয়েছে।

[৪] সাত বছর আগে বাড়ির বেষ্টনী ডিঙিয়ে পালানোর সময় হোসুন ট্রাকের ধাক্কায় মারাত্মকভাবে আহত হয়। প্রতিবেশী এক ব্যক্তি ঘটনাটি দেখে দ্রুত কুকুরটিকে উদ্ধার করেন। কিন্তু তিনি দেখতে পান, তার কোনো হৃৎস্পন্দন নেই। তখন তিনি ভেবেছিলেন, কুকুরটি মারা গেছে। ফলে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে তিনি মালিকের পক্ষে গর্ত খুঁড়ে কুকুরটিকে সমাহিত করেন।

[৫] কুকুরটির মালিক কিম-সান-হ সে সময়ের ঘটনা স্মরণ করে বলেন, ‘এই ঘটনা আমার হৃদয় ভেঙে দিয়েছিল। হোসুনের জন্য আমার প্রার্থনা করা ছাড়া আর কিছু করার ছিল না।

[৬] কিম বলেন, তাঁর প্রার্থনা কাজে এসেছে। কুকুরটিকে সমাধিস্থ করার চার দিন পর তিনি হোসুনের গোঙানির শব্দ শুনতে পান। দ্রুতই তাঁর স্বামী শব্দের উৎস খোঁজা শুরু করেন। তিনি দেখতে পান, কুকুরটি একটি গর্তে পড়ে আছে। তার পুরো দেহ কাদায় আবৃত।

[৭] কিমের স্বামী ওই মুহূর্তের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘হোসুনকে এ অবস্থায় দেখে আমার শরীরের লোম খাড়া হয়ে যায়। কারণ, আমি জানি, সে মারা গেছে। এটা সত্যিই এক রহস্য।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়