স্পোর্টস ডেস্ক : সমীকরণের মারপ্যাঁচে মরুর বুকে পথ হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে বাদ পরল বাংলাদেশ। সমীকরণ মেলানো তো বহুদূর, আফগানিস্তানের বিপক্ষে জিততেও পারেনি তাওহীদ হৃদয়ের দল। স্বাগতিকদের কাছে ৭ উইকেটে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হলো ফাইনালে ওঠার।
যেখানে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে উঠতে হলে ৪১ রানের ব্যবধানে জিততে হতো। সেখানে বাংলাদেশ কিনা আগে ব্যাট করে গুটিয়ে যায় মাত্র ১৬০ রানে। অর্থাৎ ফাইনালে ওঠার সমীকরণ মেলাতে হলে আফগানিস্তানকে অলআউট করা লাগতো ১১৯ রানের আগেই। কিন্তু ম্যাচে কোন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় গড়তে পারেনি বাংলাদেশ।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয় পড়ে ৯৯ রানের ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। সিকান্দার রাজাদের বিপক্ষে টাইগাররা তুলেছিল ১৭২ রান। আর আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশ তুললো মাত্র ১৬০ রান।
শারজাহতে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে আফগানিস্তানের দুই পেসার ইয়ামিন আহমদজাই ও আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের তোপের মুখে পড়ে বাংলাদেশ। ২৮ রানের মধ্যে চার উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল টাইগাররা। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন ওপেনার সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন। দুজনেই করেছেন দারুন ব্যাটিং। আফগান বোলারদের বেশ ভালোভাবেই সামাল দিয়েছেন তারা।
তবে অযাচিতভাবে আক্রমণ করতে গিয়ে উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসেন সাইফ। তার ব্যাট থেকে এসেছে ৮২ বলে ৪১ রান। তবে ঠিকই ফিফটি তুলে নিয়েছেন ইমন। ৯৪ বলে ৭১ রান করে ফেরেন তিনি। এরপর বাকিরা উইকেটে এসেছেন আর উইকেট বিলিয়ে দিয়ে চলে গেছেন।
আফগানিস্তানের হয়ে ৮.২ ওভারে ৩১ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন রশিদ খান। ওমরজাই ও আহমদজাইয়ের শিকার দুটি করে উইকেট।
রান তাড়ায় রহমানউল্লাহ গুরবাজ ও সেদিকুল্লাহ আতাল দ্রুত ফিরলেও রহমত শাহ ও ইব্রাহিম জাদরানের ব্যাটে প্রতিরোধ গড়ে আফগানিস্তান। দুজনেই করেছেন দারুণ ব্যাটিং। বাংলাদেশের বোলারদের বেশ ভালোভাবেই সামাল দিয়েছেন তারা।
তবে ম্যাচ শেষ করে আসতে পারেননি ইব্রাহিম।৪৮ বলে ৩৪ রান করে ফেরেন তিনি। এরপর উইকেটে আসা হাশমতউল্লাহ শহীদিকে নিয়ে বাকি কাজটুকু সারেন রহমত। দলকে জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন তারা। ৯০ বলে ৬৭ রানে অপরাজিত ছিলেন রহমত, আর শহীদি খেলেছেন ৫৪ বলে অপরাজিত ৩৮ রানের ইনিংস।
বাংলাদেশের হয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ।