শিরোনাম
◈ ছয় দিনের বিরতি শেষে আজ আবার বসছে সংসদ ◈ এবার লিবিয়ার গৃহযুদ্ধ থামাতে মধ্যস্থতায় পাকিস্তান ◈ যুক্তরাষ্ট্রে নতুন শুল্কের ঝুঁকিতে বাংলাদেশের রফতানি, সবচেয়ে বেশি চাপে পোশাক খাত ◈ শান মাসুদ‌কে স‌রি‌য়ে তিন বছর পর বাবর আজম আবা‌রো পা‌কিস্তান দ‌লের অ‌ধিনায়ক ◈ এবার বাংলা‌দে‌শে হ‌বে ওয়ানডে এশিয়া কাপ, অংশ নে‌বে ভারতীয় দল? ◈ ট্রাম্পের হস্তক্ষেপেও রক্ষা হলো না, যুক্তরাষ্ট্রকে উড়িয়ে শেষ আটে বেলজিয়াম ◈ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বাণিজ্য কৌশল, কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ? ◈ অতিরিক্ত সময়ের গোলে স্পেনের জয়, বিশ্বকাপ থেকে বিদায় পর্তুগালের ◈ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর লেখা বইসহ ৩ বই রাখার নির্দেশ বাতিল ◈ ছবি মুক্তির পরপরই জি-ফাইভ থেকে ‘সাতলুজ’ অপসারণ, দর্শকদের ডাউনলোড করা সংস্করণ দেখতে আহ্বান দিলজিৎয়ের

প্রকাশিত : ০৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:২৪ দুপুর
আপডেট : ০৭ জুলাই, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শান মাসুদ‌কে স‌রি‌য়ে তিন বছর পর বাবর আজম আবা‌রো পা‌কিস্তান দ‌লের অ‌ধিনায়ক

স্পোর্টস ডেস্ক : প্রায় তিন বছর পর আবারও পাকিস্তানের টেস্ট অধিনায়ক হয়েছেন বাবর আজম। শান মাসুদকে সরিয়ে ডানহাতি এই ব্যাটারকে দায়িত্ব দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে খুব একটা ভালো করতে পারছিলেন না মাসুদ। বিদেশের মাটিতে সহজ ম্যাচও কঠিন করে হেরেছে পাকিস্তান। যার কারণে তার ওপর আর আস্থা রাখতে পারছে না বোর্ড।

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের হাইপারফরম্যান্স ইউনিটের ডিরেক্টর আকিভ জাভেদ বলেন, “মাসুদের অধিনায়কত্বে অনেক জেতা ম্যাচ হেরেছি। সেঞ্চুরিয়ন টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ দুই ব্যাটার ৬০-৭০ রানের জুটি গড়েছিল। খেলাটা আমাদের হাতে ছিল। সেখান থেকে হেরেছিলাম। ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে মুলতানে দ্বিতীয় টেস্টে ভাল জায়গা থেকে গোটা দল তাড়াতাড়ি অলআউট হয়ে গেল। আমরা হারলাম।

তিনি আরও বলেন, “ঘরের মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেও একই ছবি দেখলাম। কিছু দায়িত্ব দলের থাকে। কিছু দায়িত্ব থাকে নির্বাচকদের। তেমনই কিছু দায়িত্ব অধিনায়কেরও থাকে। যেমন মাঠে বোলার পরিবর্তন, ফিল্ডিং সাজানো, ডিআরএস নেওয়া, টস জেতা। সর্বোপরি দলকে জেতানো। সেটা না পারলে প্রশ্ন তো উঠবেই।”

মাসুদের নেতৃত্বে ১৬টি টেস্ট খেলেছে পাকিস্তান। তার মধ্যে ১২টি হেরে গিয়েছে তারা। বাংলাদেশের কাছে জোড়া টেস্ট সিরিজ় হারও রয়েছে তালিকায়। ক্রিকেট ইতিহাসে এত কম ম্যাচে এতো হারের রেকর্ড নেই আর কোনো অধিনায়কের। এমনকি পাকিস্তানের কোনো অধিনায়কও ১৬ ম্যাচে ১০টি টেস্ট হারেনি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়