এবার চমক দেখিয়ে দল ঘোষণা করল ইংল্যান্ড। আগের দিন সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট দিয়ে বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার খবর জানান ম্যানইউ সেন্টার ব্যাক হ্যারি মাগুইর। এছাড়া বাদ পড়েছেন ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার আর্নল্ড, ফিল ফডেন ও কোল পালমারের মতো তারকারা।
কোচ থমাস টুখেল ইংল্যান্ড অ্যাপ ব্যবহার করে সরাসরি সম্প্রচারে দল ঘোষণা করেন। দলে অন্যতম বড় চমক ইভান টোনির অন্তর্ভুক্তি। ইংল্যান্ডের হয়ে এক বছর খেলেননি এই স্ট্রাইকার। সেনেগালের বিপক্ষে হেরে যাওয়া প্রীতি ম্যাচে খেলেছেন কয়েক মিনিটের জন্য। তবে সৌদি প্রো লিগে আল আহলির হয়ে ৩২ গোল করেই টুখেলের নজরে পড়েছেন তিনি।
ফিল ফডেন ও কোল পালমারকে ছাপিয়ে মর্গান রজার্স ও জুড বেলিংহাম টুখেলের দলে জায়গা পেয়েছেন। ফিটনেস নিয়ে সমস্যায় ছিলেন জন স্টোন্স। কিন্তু নেতৃত্বে দক্ষতা ও বল পায়ে রাখার সামর্থ্যের পাশাপাশি টুর্নামেন্ট অভিজ্ঞতা দিয়ে ২৬ জনের মধ্যে আছেন তিনি।
এদিকে নটিংহাম ফরেস্ট মিডফিল্ডার মর্গান গিবস হোয়াইটের বাদ পড়া বিস্ময়কর। ফরেস্টের হয়ে চলতি মৌসুমে দুর্দান্ত ছিলেন ২৬ বছর বয়সী। অলি ওয়াটকিন্স ও ডমিনিক কালভার্ট-লেভিনের সঙ্গে ১৪ গোল করে প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষ ইংলিশ গোলদাতা তিনি।
শীর্ষ লিগে ১৮ গোলে অবদান রেখেছেন গিবস-হোয়াইট। ইংল্যান্ডের ঘোষিত স্কোয়াডে যে কোনো মিডফিল্ডারের চেয়ে যা বেশি। দলের তারকা মিডফিল্ডার বেলিংহাম ২৭ লা লিগা খেলে ৯ গোলে অবদান রেখেছেন। এই বছর শুরু হওয়ার পর ১৪ গোলে ভূমিকা রেখেছেন গিবস-হোয়াইট, যে সময়ে তার ধারেকাছে কেউ যেতে পারেননি।
ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ শুরু হবে ১৮ জুন। তাদের প্রতিপক্ষ ক্রোয়েশিয়া। এল গ্রুপে তাদের অন্য দুটি ম্যাচ ২৪ ও ২৮ জুন যথাক্রমে ঘানা ও পানামার বিপক্ষে।
ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ স্কোয়াড :
গোলকিপার: জর্ডান পিকফোর্ড (এভারটন), ডিন হেন্ডারসন (ক্রিস্টাল প্যালেস) এবং জেমস ট্রাফোর্ড (ম্যানচেস্টার সিটি)।
ডিফেন্ডার: রিস জেমস (চেলসি), টিনো লিভরামেন্টো (নিউক্যাসল), মার্ক গুয়েহি (ম্যানচেস্টার সিটি), এজরি কনসা (অ্যাস্টন ভিলা), জন স্টোন্স (ম্যানচেস্টার সিটি), জ্যারেল কোয়ানসাহ (বায়ার লেভারকুসেন), নিকো ও'রাইলি (ম্যানচেস্টার সিটি), ড্যান বার্ন (নিউক্যাসল) এবং দজেড স্পেন্স (টটেনহ্যাম হটস্পার)।
মিডফিল্ডার: ডেকলান রাইস (আর্সেনাল), এলিয়ট অ্যান্ডারসন (নটিংহ্যাম ফরেস্ট), জুড বেলিংহাম (রিয়াল মাদ্রিদ), জর্ডান হেন্ডারসন (ব্রেন্টফোর্ড), মরগান রজার্স (অ্যাস্টন ভিলা), কোবি মাইনো (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড) এবং এবারিচি এজে (আর্সেনাল)।
ফরোয়ার্ড: হ্যারি কেন (বায়ার্ন মিউনিখ), ইভান টোনি (আল-আহলি), অলি ওয়াটকিন্স (অ্যাস্টন ভিলা), বুকায়ো সাকা (আর্সেনাল), ননি মাদুয়েকে (আর্সেনাল), মার্কাস রাশফোর্ড (বার্সেলোনা, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে ধারে) এবং অ্যান্থনি গর্ডন (নিউক্যাসল)।