স্পোর্টস ডেস্ক: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক কিছুদিন আগে মোহামেডান ক্লাব পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। এবার জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক এ গোলকিপার গেলেন আবাহনী ক্লাবে। সেখানে গিয়ে ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতি মুক্ত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই আবাহনী ও মোহামেডানের মধ্যকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাংলাদেশের ফুটবলের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং ঐতিহ্যের প্রতীক। তবে গত ১৭ বছরে এই ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক। বর্তমান সরকার অতীতের সেই পথে হাঁটতে চায় না। বরং ক্লাবগুলোকে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনার পরিবেশ নিশ্চিত করতে চায়।
মাঠের খেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও, মাঠের বাইরে ক্লাবকর্তাদের একত্রিত থাকার পরামর্শ আমিনুলের। তিনি বলেন, ‘যুব-সমাজকে নৈতিক অবক্ষয় ও ডিজিটাল ডিভাইসের আসক্তি থেকে রক্ষা করতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। মাঠের লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও মাঠের বাইরে সব ক্লাবের সংগঠক ও খেলোয়াড়দের মধ্যে যেন সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকে।
এসময় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সাথে ছিলেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। এছাড়া মোহামেডানের কর্মকর্তারাও ছিলেন আমিনুলের সাথে। এই বিষয়টিকে তিনি স্পোর্টসম্যানশিপের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করেন।
এরপর আমিনুল বলেন, ‘ক্লাবগুলো টিকে থাকলে খেলোয়াড়রা টিকে থাকবে, আর এ কারণেই সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের ক্লাবকে টেকসই সহযোগিতা প্রদান করা হবে। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে ইতোমধ্যে ৩০০ জন খেলোয়াড়কে ক্রীড়াভাতা প্রদান করা হয়েছে এবং আগামী অর্থবছরে এই সংখ্যা ৫০০ জনে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে।