স্পোর্টস ডেস্ক : নেপাল ফুটবল দল সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে দু’বারের চ্যাম্পিয়ন। আর বয়সভিত্তিক এই টুর্নামেন্টে ট্রফির স্বাদ একবারই পেয়েছে বাংলাদেশ। আজ বুধবার (১ এপ্রিল) মালদ্বীপের মালেতে সেমিফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ নেপাল। সবশেষ এই নেপালকে হারিয়েই শিরোপার স্বাদ পায় লাল-সবুজ বাহিনীরা। শিরোপা ধরে রাখতে এবার শেষ চারেই তাদের বিদায় করার লক্ষ্যে নামবে বাংলাদেশ।
মালদ্বীপের মালেতে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে কাল সেমিফাইনালে নেপালের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বে পাকিস্তানের বিপক্ষে দাপুটে জয় আর ভারতের বিপক্ষে ড্রয়ের পর ফাইনালের টিকিট পেতে মুখিয়ে আছে যুবারা।
গ্রুপ এ’ থেকে ৩ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিল টপার হিসেবে সেমিতে উঠেছে নেপাল। এই গ্রুপ থেকে ৪ পয়েন্ট নিয়ে রানার্স-আপ হয়েছে ভুটান। অন্যদিকে, গ্রুপ ‘বি’ থেকে ভারত ও বাংলাদেশ উভয়ের পয়েন্ট ৪ হলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ভারত গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন এবং বাংলাদেশ রানার্স-আপ হিসেবে শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে।
এ পর্যন্ত ৮ বারের অংশগ্রহণে ২০২৪ সালে শিরোপা জেতে বাংলাদেশ। এর আগে চারবার রানার্স আপ ও একবার সেমিফাইনালে ওঠে যুবারা। ২০২৪ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ ফাইনালে এই নেপালকেই ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত করে শিরোপা জিতেছিল লাল-সবুজরা। সেই সুখস্মৃতি আর আত্ববিশ্বাস সঙ্গী করেই মাঠে নামবে বাংলাদেশের যুবারা। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে নামার আগে আজ প্রস্তুতির চূড়ান্ত ধাপ সম্পন্ন করেছে তারা।
নেপালের মুখোমুখি হওয়ার আগে দলের টেকনিক্যাল স্টাফ ও কোচিং ইউনিট দলগত পারফরম্যান্সকে আরও সুসংহত করতে বিশেষ কোচিং সেশন পরিচালনা করেছে। কৌশলগত পরিকল্পনা, সমন্বয় এবং ম্যাচ পরিস্থিতি মোকাবেলার বিভিন্ন দিক নিয়েও নিবিড়ভাবে কাজ করা হয়। পাশাপাশি, খেলোয়াড়দের মনোবল বাড়াতে ও উজ্জীবিত করতে কোচিং স্টাফরা অনুপ্রেরণামূলক সেশনও পরিচালনা করেন।
সেমিফাইনালের আগে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রস্তুতির পর বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের কোচ মার্ক কক্স বলেন, ‘রিকভারির জন্য আমরা দুই-তিনদিন যাই পেয়েছি প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। স্কোয়াডের ২২ জনকেই আমি শতভাগ বিশ্বাস করি।