স্পোর্টস ডেস্ক : বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অ্যাশেজের শেষ টেস্টে সফরকারী ইংল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
এই জয়ে সিরিজ ৪-১ ব্যবধানে নিজেদের দখলে রেখে দিল অজিরা। ইংল্যান্ডের জন্য সান্ত্বনা মেলবোর্ন টেস্টে ৪ উইকেটে পাওয়া জয়, যেটি ছিল অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ১৫ বছরের মধ্যে তাদের প্রথম জয়।
দুই ইনিংসে ১৬৩ ও ২৯ রান করে সিডনি টেস্টের প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার জিতেছেন ট্রাভিস হেড। আর পাঁচ টেস্টে ৩১ উইকেট ও ১৫৬ রান নিয়ে প্লেয়ার অব দ্য সিরিজ নির্বাচিত হয়েছেন মিচেল স্টার্ক।
৮ উইকেট ৩০২ রান নিয়ে আগের দিন শেষ করা ইংল্যান্ড পঞ্চম দিনে নতুন বল নেয়ার পর খেলতে পেরেছে আর ৮.২ ওভার। ৮৮.২ ওভারে ৩৪২ রানে অলআউট হয় ইংলিশরা।
আগের দিনে ১৪২ রানে অপরাজিত থাকা বেথেল আজ আর ১২ রান যোগ করতে পেরেছেন। ২৬৫ বলে ১৫ চারে তার ১৫৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস শেষ হয়েছে স্টার্কের বলে ক্যারির হাতে ক্যাচ দিয়ে।
৬ রান করা জশ টাংকে লাবুশেনের ক্যাচ বানিয়ে ইংল্যান্ডের ইনিংসের লেজ মুড়িয়ে দেন স্টার্ক। জশ টাং ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন।
বিউ ওয়েবস্টার ও মিচেল স্টার্ক ৩টি করে উইকেট শিকার করেন। স্কট বোল্যান্ড শিকার করেন ২ উইকেট। নেসারের ঝুলিতে যায় ১ উইকেট।
জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৬০ রান। ট্রাভিস হেড আর জ্যাক ওয়েদারাল্ডের ওপেনিং জুটিই ৬২ রান যোগ করে।
আগের ইনিংসে সেঞ্চুরি হাঁকানো হেড এদিন ৩৫ বলে ২৯ রান করে টাংয়ের বলে আউট হন। দলীয় ৭১ রানে ওয়েদারাল্ডও টাংয়ের বলে পটসের হাতে ক্যাচ দেন। ৪০ বলে ৩৪ রান করেন তিনি।
প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি হাঁকানো অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ এদিন ১২ বলে ১২ রান করে উইল জ্যাকসের বলে বোল্ড হয়েছেন। আর ক্যারিয়ারের শেষ ইনিংস খেলতে নামা উসমান খাজা থেমেছেন ৬ রানেই। টংয়ের বল খাজার ব্যাটের কানায় লেগে স্টাম্পে আঘাত করে।
এদিন দারুণ খেলছিলেন লাবুশেন। কিন্তু পরের ওভারে রানআউটে কাটা পড়েন তিনি। তার আগে ৪০ বলে করেন ৩৭ রান।
১২১ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু অ্যালেক্স ক্যারি আর ক্যামেরন গ্রিন আর বিপদ ঘটতে দেননি। দুজনের অনবদ্য জুটি অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেয়। ক্যারি ১৬ এবং গ্রিন ২২ রানে অপরাজিত থাকেন।
টাং ১১ ওভারে ৪২ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেন। বাকি উইকেটটি উইল জ্যাকসের।