স্পোর্টস ডেস্ক : হাতের কাছে জয় যেনো ধরতে পারছিলো না পাকিস্তান। অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে জয় পেতে হয়েছে। এক কথায় সহজ ম্যাচ কঠিন বানিয়ে জেতা। সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে জয় পেতে একটা সময় ২৭ বলে মাত্র ২৩ রান প্রয়োজন ছিল পাকিস্তানের। হাতে ছিল ৬ উইকেট। সেখানেই নামে ধস। যদিও শেষ পর্যন্ত নিস্তার মেলেছে শাহিন শাহ আফ্রিদের। ২ বল হাতে রেখে ২ উইকেটে কষ্টার্জিত জয় তুলেছে তাঁরা।
পাকিস্তান-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে ১৭ বছর পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরে এসেছে ফয়সালাবাদে। প্রর্ত্যাবর্তনের এই দিনে শাহিনদের আমন্ত্রণে আগে ব্যাটিং করে দক্ষিণ আফ্রিকা ২৬৩ রান সংগ্রহ করে। জবাব দিতে নেমে একটা সময় পাকিস্তান পথ হারিয়ে বসে। শেষ পর্যন্ত কূলের দেখা পায় তারা। এই জয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল স্বাগতিকরা। -- টি স্পোর্টস
দক্ষিণ আফ্রিকাকে ভালো শুরু এনে দেন কুইন্টন ডি কক ও লহুয়ান দ্রে প্রিটোরিয়াস। অভিষিক্ত প্রিটোরিয়াস ফিরলে ৯৮ রানের জুটি ভেঙে যায়। পাকিস্তানকে আনন্দ দেন স্পিনার সাইম আইয়ুব। প্রিটোরিয়াস ৬০ বলে ৫৭ রান করেন, সাতটি চার ও একটি ছক্কা আসে তার ব্যাট থেকে।
ডি ককও হাঁকান হাফ-সেঞ্চুরি। টনি ডি জর্জির সঙ্গে ৪৩ রানের জুটি গড়ে বিদায় নেন তিনি। নাসিম শাহর বলে বোল্ড হওয়ার আগে করেন ৭১ বলে ৬৩ রান। আটটি চার ও দুইটি ছক্কা আসে ডি ককের ব্যাট থেকে। ম্যাথু ব্রিটজের ব্যাট থেকে আসে ৫৪ বলে ৪২ রান। তারপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দক্ষিণ আফ্রিকা। শেষ দিকে করবিন বশ করেন ৪০ বলে ৪১ রান। ৪৯.১ ওভারে ২৬৩ রানে অলআউট হয় দক্ষিণ আফ্রিকা।
পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে ৮৭ রান পর, সাইম আইয়ুব ৪২ বলে ৩৯ রানে ফিরলে। আরেক ওপেনার ফখর জামান করেন ৫৭ বলে ৪৫ রান। সফল হতে পারেননি বাবর আজম। ১২ বলে ৭ রান করে আউট হন তিনি। এরপর বড় জুটি গড়ে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলী আগা। ৯১ রান আসে তাদের জুটিতে। ৭৪ বলে ৫৫ রান করে আউট হন রিজওয়ান।
একটা সময় ২৭ বলে মাত্র ২৩ রান দরকার ছিল পাকিস্তানের। ক্রিজে দুই থিতু ব্যাটসম্যান সালমান ও হুসেইন তালাত। দুজনকে সাজঘরমুখো করে খেলা জমিয়ে দেয় প্রোটিয়াররা। তবে শেষ জয় পায় পাকিস্তান।