জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, এই দেশ শুধু মুসলমানদের নয়। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, সাঁওতাল—সকলের। আমরা ঘোষণা দিয়েছে, দেশে কোনো মেজরিটি-মাইনরিটি মানবো না।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে নওগাঁয় এটিএম মাঠে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
গত ৫ দিন ধরে ধারাবাহিকভাবে জামায়াত আমিরের ওপর মিসাইল নিক্ষেপ করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। বলেন, আমার পুরোনো বন্ধুরা আমার ওপর মিথ্যার মিসাইল নিক্ষেপে শরীক হয়েছেন। আমি তাদেরকে ক্ষমা করে দিলাম। আল্লাহও তাদেরকে ক্ষমা করে দিন। এই সংক্রান্ত তাদের কোনো অপপ্রচার, অপচর্চার জবাব দেইনি, দেবোও না।
সকল নাগরিকের সমান অধিকার ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেন জামায়াত আমির। বলেন, কোনো জালিম যেন নারী জাতির দিকে চোখ তুলে তাকাতে সাহস না পায়—সেই পরিবেশ তৈরি করা হবে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই বিপ্লবে তরুণ-তরুণী, কৃষক-শ্রমিক রাস্তায় নেমেছিল। তারা বেকার ভাতা চায়নি, তারা কাজ চেয়েছে। যুবসমাজকে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন জামায়াত আমির।
ক্ষমতায় গেলে জমিদারি প্রথার যে রাজনীতি দেশে চলমান, তা বিলুপ্ত করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, যারা দেশের জন্য অবদান রাখবে, আমরা কেবল তাদের যোগ্যতা ও দেশপ্রেম দেখবো। বংশপরম্পরায় নেতা নয়, বরং রিকশাচালকের মেধাবী সন্তানও যেন আগামীর প্রধানমন্ত্রী হতে পারে—সেই দোয়া করেন।
এছাড়াও জামায়াত ক্ষমতায় গেলে বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ফেরত এনে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করার ব্যবস্থা করবে। কাউকেই চাঁদাবাজি করতে দেওয়া হবে না বলেও জানান জামায়াত আমির।