ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন তার মাথার ভেতরে গুলি রয়েছে।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. মোস্তাক আহমেদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
ডা. মোস্তাক আহমেদ বলেন, হাদিকে যখন জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয় তার অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক ছিল। পরে তাকে সিপিআর দেয়া হয়। এখন একটু প্রেসার ভালো আছে। তবে তার মাথার ভেতরে গুলি আছে, কানের আশপাশে গুলি লেগেছে।
এরআগে, দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় হাদির ওপর গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা।
ওসমান হাদিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা মিসবাহ জানান, জুমার নামাজ পড়ে মতিঝিল বিজয়নগর কালভার্ট এলাকা দিয়ে রিকশায় যাওয়ার সময় দুটি মোটরসাইকেলে করে এসে দুর্বৃত্তরা গুলি চালায়। এতে গুলিটি তার বাম কানের নিচে লাগে। গুলি করেই তারা পালিয়ে যায়। এরপর ওসমান হাদিকে রিকশায় করে হাসপাতালে নেয়া হয়।
ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান সময় নিউজকে বলেন, এখনো বিস্তারিত আমরা জানতে পারিনি। তবে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, উনি রিকশায় করে যাচ্ছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেল আসা আরোহীরা তাকে গুলি করে।
হত্যার হুমকি পেয়েছিলেন হাদি
গত নভেম্বর মাসে দেশি-বিদেশি ৩০টি নম্বর থেকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি পেয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন হাদি। ১৪ নভেম্বর এক ফেসবুকে পোস্টে তিনি জানিয়েছিলেন, তাকে হত্যা, তার বাড়িতে আগুনসহ তার মা, বোন ও স্ত্রীকে ধর্ষণের হুমকি দেয়া হয়েছে।
ওসমান হাদি লিখেছিলেন, গত তিন ঘণ্টায় আমার নম্বরে আওয়ামী লীগের খুনিরা অন্তত ৩০টা বিদেশি নম্বর থেকে কল ও টেক্সট করেছে। যার সামারি হলো- আমাকে সর্বক্ষণ নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। তারা আমার বাড়িতে আগুন দেবে। আমার মা, বোন ও স্ত্রীকে ধর্ষণ করবে এবং আমাকে হত্যা করবে।