শিরোনাম
◈ শান্তি-শৃঙ্খলা ফেরাতে আইনশৃঙ্খলা  বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ সরকার আলোচনার কোনো পরিস্থিতি রাখেনি, কর্মসূচী অব্যাহত রাখার ঘোষণা: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ◈ বিটিভিতে হামলা-আগুন, সম্প্রচার বন্ধ ◈ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ◈ আমরা ধৈর্যের পরীক্ষা দিচ্ছি, এটা দুর্বলতা নয়: ডিবিপ্রধান ◈ নরসিংদীতে গুলিতে নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীর মৃত্যু, আহত শতাধিক ◈ চট্টগ্রামে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ২ ◈ নেত্রকোনায় ইউএনও, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ আহত অর্ধশত, ৭ আন্দোলনকারী গুলিবিদ্ধ ◈ শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে এগোতে চায় সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ◈ শিক্ষার্থীদের পরিবর্তে বিএনপি-জামাত আগুন-সন্ত্রাস নিয়ে মাঠে নেমেছে: ওবায়দুল কাদের   

প্রকাশিত : ২৬ জানুয়ারী, ২০২৩, ০৯:০৮ রাত
আপডেট : ২৬ জানুয়ারী, ২০২৩, ০৯:৫০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিদ্যা দেবীর আরাধনা

জবিতে আরাধনা

অপূর্ব চৌধুরী, জবি: করোনা মহামারীর প্রকোপ কাটিয়ে দুই বছর পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আবারও যথাযোগ্য মর্যাদা ও পুরনো আমেজে বিদ্যা দেবী সরস্বতীর আরাধনা করা হয়েছে। এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৩টি বিভাগ, ২টি ইনস্টিটিউট ও বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল সহ মোট ৩৬টি মন্ডপে প্রাণবন্তভাবে পূজা উদযাপন করা হয়। 

পূজা উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। এরপর বিদ্যা দেবীর আরাধনায় মনোনিবেশ করেন শিক্ষার্থীরা৷ পুষ্পাঞ্জলি শেষেই শুরু হয় তাদের অনন্দ উদযাপন।

পূজা উদযাপনের জন্য প্রতিটি বিভাগের সার্বিক আয়োজনে ছিল বৈচিত্র্যময়তা। পঠিত বিষয়ের সাথে মিল রেখেই ব্যানার ও স্টেজ তৈরী করে বিভাগগুলো।

এদিন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি জ্ঞান পিপাসু অন্যান্য ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের সরব উপস্থিতি পূজায় যুক্ত করে ভিন্ন মাত্রা। বেলা বাড়ার সাথে সাথেই ক্যাম্পাস জুড়ে বাড়তে থাকে অতিথিদের আগমন। পূজা উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের সাথে তাদের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে লোকারণ্যে পরিণত হয় পুরো ক্যাম্পাস। 

ধানমন্ডি থেকে নিজের পরিবার নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পূজা উদযাপন করতে আসা চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ঐশ্বর্য দেবনাথ বলেন, এবার আবারও বড় পরিসরে সরস্বতী পূজা আয়োজন করা হয়েছে। তাই এবার শুরু থেকেই পরিকল্পনা ছিল পরিবারের সাথে ক্যাম্পাসেই পূজা উদযাপন করার। উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপন করতে পারছি৷  

পূজা চলাকালীন মন্ডপসমূহ পরিদর্শন করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ। 

এসময় উপাচার্য বলেন, করোনা মহামারীর জন্য দুই বছর পর আবারও বড় পরিসরে সরস্বতী পূজা উদযাপন করা হচ্ছে। গত দুই বছর এভাবে পূজা উদযাপন সম্ভব হয়নি৷ তাই আমরা ভারাক্রান্ত ছিলাম। এবার অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে পূজা উদযাপন করা হচ্ছে। শিক্ষক,শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সবাই মিলেই আনন্দ উপভোগ করছে৷ এটিই সৌন্দর্য। 

শাস্ত্রমতে, সরস্বতী হলেন জ্ঞান, বিদ্যা, সংস্কৃতি ও শুদ্ধতার দেবী। শুভ্র বসন, হংস-সম্বলিত, পুস্তক ও বীণাধারিণী এই দেবী বাঙালির মানসলোকে এমন এক প্রতিমূর্তিতে বিরাজিত, যেখানে কোনো অন্ধকার নেই, নেই অজ্ঞনতা বা সংস্কারের কালো ছায়া।

পূজা মন্ডপ পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের আহবায়ক অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. পরিমল বালা, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগের চেয়ারম্যান,শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. এ.কে.এম লুৎফর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল, সহকারী প্রক্টরবৃন্দ এবং কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। 

প্রসঙ্গত, রাজধানীতে জগন্নাথ হলের পরে সর্ববৃহৎভাবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েই মোট ৩৭ টি মণ্ডপে সরস্বতী পূজা পালিত হয়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় পূজা কমিটির উদ্যোগে ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় পূজা আয়োজন করা হয়।

প্রতিনিধি/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়