শিরোনাম
◈ টানা ৩ দিনের ছুটিতে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান! ◈ ফ্লাইট কমে ‘ছোট’ হচ্ছে শাহ আমানত বিমানবন্দরের আকাশ, একে একে সরে যাচ্ছে বিদেশি এয়ারলাইন্স ◈ রিয়াল মাদ্রিদকে রুখে দিল জিরোনা ◈ মব সহিংসতা ঠেকাতে বিদেশি সহায়তায় বিশেষ প্রশিক্ষণ পাচ্ছে পুলিশ, কাটাতে চায় সিদ্ধান্তহীনতা ◈ দিন দিন ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের টিকিটের দাম বাড়া‌চ্ছে  ◈ ডা. কামরুলকে চাঁদাবাজির হুমকি; রাতেই হাসপাতালে যুবদলের শীর্ষ নেতারা(ভিডিও) ◈ রাশিয়ার তেল ভারতে শোধন করে আমদানির পথে বাংলাদেশ, জ্বালানি কৌশলে বড় পরিবর্তন ◈ বেসামরিক ব্যবহারের শর্তে বিরল খনিজ রফতানি সহজ করবে চীন ◈ আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তানে পৌঁছেছে ইরানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল ◈ মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: আমদানি-রপ্তানিতে বড় চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ২৩ মার্চ, ২০২৩, ০৩:৩২ রাত
আপডেট : ২৩ মার্চ, ২০২৩, ০৩:৩২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী শাহনাজ রহমতুল্লাহ প্রয়াণ দিবস

আশিক নূরী : [১] শাহনাজ রহমতুল্লাহ ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী সংগীত শিল্পী। তিনি দেশাত্মবোধক গান গেয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তাঁর তিনটি গান বিবিসির একটি জরিপে সর্বকালের সেরা বিশটি বাংলা গানের তালিকায় স্থান পায়।

[২] শাহনাজ রহমতুল্লাহ ১৯৫২ সালের ২ জানুয়ারি ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম এম ফজলুল হক ও মাতার নাম আসিয়া হক। শাহনাজ গান শিখেছেন গজল সম্রাট মেহেদী হাসানের কাছ থেকে।

[৩] শাহনাজ রহমতুল্লাহ ১৯৬৩ সালে ১০ বছর বয়সে ‘নতুন সুর’ নামক চলচ্চিত্রে কণ্ঠ দেওয়ার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৬৪ সালে প্রথম টেলিভিশনে তার গাওয়া গান প্রচারিত হয়। তিনি গাজী মাজহারুল আনোয়ার, আলাউদ্দিন আলী, খান আতা প্রমুখের সুরে গান গেয়েছেন। পাকিস্তানে থাকার সুবাদে করাচী টিভিসহ ঊর্দু ছবিতেও তিনি গান করেছেন।

[৪] শাহনাজ রহমতুল্লাহ গাওয়া উল্লেখযোগ্য গানসমূহের মধ্যে রয়েছে- ‘একবার যেতে দে না আমার ছোট্ট সোনার গাঁয়’, ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ’, ‘এক নদী রক্ত পেরিয়ে’, ‘আমার দেশের মাটির গন্ধে’, ‘একতারা তুই দেশের কথা বল রে এবার বল’, ‘আমায় যদি প্রশ্ন করে’, ‘যদি চোখের দৃষ্টি’, ‘সাগরের তীর থেকে’, ‘খোলা জানালা’, ‘ ক্ষণিকের ভালো লাগা মনেতে দোলা দিয়ে’ ও ‘এই জীবনের মঞ্চে মোরা কেউবা কাঁদি কেউবা হাসি’ প্রভৃতি। [৫] শাহনাজ রহমতুল্লাহ ১৯৯২ সালে একুশে পদক এবং ১৯৯০ সালে ‘ছুটির ফাঁদে’ চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ নারী কণ্ঠশিল্পী হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। তিনি ২৩ মার্চ ২০১৯ সালে মারা যান।  

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়