শিরোনাম
◈ আমি গু.লি করিনি আমাকে গু.লি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এএসআই (ভিডিও) ◈ সংসদে ১২টি বিল পাস ◈ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইন, ৩ দিন অফলাইনে ক্লাস: শিক্ষামন্ত্রী ◈ যুদ্ধের প্রভাবে টিকে থাকার লড়াইয়ে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা! ◈ আবাসন খাতে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ চায় রিহ্যাব, এনবিআরের ‘না’ ◈ চাহিদা মেটাতে ১১ কার্গো এলএনজি আমদানি করছে সরকার ◈ গত দুদিনে দুবার দাম বাড়ার পর আজ আবার কমেছে স্বর্ণের দাম! ◈ এডহক ক‌মি‌টির সদস‌্যদের ম‌ধ্যে বণ্টন হলো বিসিবির স্ট্যান্ডিং কমিটি, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ◈ বাংলা‌দেশ-ভারত সম্প‌র্কে অস্ব‌স্তির কারণ হ‌তে পা‌রে আওয়ামী লীগ! ◈ বিদেশি তারকাদের তুলোধোনা, আই‌পিএ‌লে দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সু‌নিল গাভাস্কার

প্রকাশিত : ১২ জুন, ২০২৪, ০৩:২০ রাত
আপডেট : ১২ জুন, ২০২৪, ০৩:২০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তবু ইনজেকশন ভয় পায় না কে?

ইকবাল আনোয়ার

ইকবাল আনোয়ার: আমার কাছেও ছিলো। স্টিলের বাক্স। সেখানে নানা মাপের স্টিলের গোড়ালি দেওয়া নিডেল। থরে থরে কম বোর থেকে মোটা বোরএ সাজানো। কাচের সিরিন্স ছিলো দু’তিনটা। এ হলো প্রাথমিক থাকার জিনিষ ডাক্তারের থলেতে। বাসায় ডাক্তার এলেই, গরম পানি করার দরকার পরতো। মা-চাচিরা কী যে যত্নে পরিষ্কার এলমোনিয়াম পাত্রে গরম পানি করে এনে রাখতো ডাক্তারের সামনে। রোগীর অবস্থা বেহাল। এসব দেখে তার হার্ট বিট, ব্লাড প্রেসার এমনি বেশি, আরও বেড়ে যেতো। এই ভোঁতা নিডেলে ঘাই খাওয়া মানে,  মরাও এর চেয়ে ভালো। ফাঁসির দড়িতে ঝুলতে দেওয়াও ভালো। কাচের সিরিঞ্জে গরম পানি নিয়ে চিড়িৎ চিড়িৎ। তারপর ওষুধ নিয়ে জমদেবের মতো রাগী ডাক্তার এগিয়ে আসতো। চারপাঁচজন ঝাপটে ধরে থাকতো রোগীকে। শিশুদের অবস্থা কী? নির্যাতন। প্রতিদিনের ইনজেকশন দেওয়ার পর মনে হতো যাক বাবা বাঁচা গেছে। কিন্তু আবার আসতো সেই কালো কালকে। এখন ধারালো সুঁই। ওয়ানটাইম সব। কতো উন্নতি। তবু ইনজেকশন ভয় পায় না কে? ভাবি সেই দিনের কথা। ভয়াবহ নাজুক। লেখক: চিকিৎসক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়