শিরোনাম
◈ কুয়েত থেকে বের করে দেয়া হয়েছে প্রায় ৪০ হাজার প্রবাসীকে ◈ চিকিৎসা নিতে পারছেন না ওবায়দুল কাদের, সংকটাপন্ন অবস্থায় পরিবারের নতুন সিদ্ধান্ত ◈ বিএনপিকেই ক্ষমতায় দেখতে চায় ৭০ শতাংশ ভোটার: ইএএসডির জরিপ ◈ গুম কমিশনের প্রতিবেদনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভয়াবহ চিত্র ◈ আলোচিত জুলাইযোদ্ধা তাহরিমা জান্নাত সুরভীর জামিন মঞ্জুর ◈ ওবায়দুল কাদেরের অবস্থা সংকটাপন্ন ◈ ভারতে খেলবে না বাংলাদেশ, বিশ্বকাপের সূচি বদলাতে কাজ শুরু আইসিসির: ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর ◈ ভেনেজুয়েলার ঘটনায় বাংলাদেশের উদ্বেগ প্রকাশ ◈ বেগম জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোকবার্তা হস্তান্তর  ◈ কোন অভিবাসীরা কতটা সাহায্য পেয়েছেন আমেরিকায়, তালিকা দিলেন ট্রাম্প! আছে বাংলাদেশ, পাকিস্তানের নাম, নেই ভারত

প্রকাশিত : ১২ জুন, ২০২৪, ০৩:২০ রাত
আপডেট : ১২ জুন, ২০২৪, ০৩:২০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তবু ইনজেকশন ভয় পায় না কে?

ইকবাল আনোয়ার

ইকবাল আনোয়ার: আমার কাছেও ছিলো। স্টিলের বাক্স। সেখানে নানা মাপের স্টিলের গোড়ালি দেওয়া নিডেল। থরে থরে কম বোর থেকে মোটা বোরএ সাজানো। কাচের সিরিন্স ছিলো দু’তিনটা। এ হলো প্রাথমিক থাকার জিনিষ ডাক্তারের থলেতে। বাসায় ডাক্তার এলেই, গরম পানি করার দরকার পরতো। মা-চাচিরা কী যে যত্নে পরিষ্কার এলমোনিয়াম পাত্রে গরম পানি করে এনে রাখতো ডাক্তারের সামনে। রোগীর অবস্থা বেহাল। এসব দেখে তার হার্ট বিট, ব্লাড প্রেসার এমনি বেশি, আরও বেড়ে যেতো। এই ভোঁতা নিডেলে ঘাই খাওয়া মানে,  মরাও এর চেয়ে ভালো। ফাঁসির দড়িতে ঝুলতে দেওয়াও ভালো। কাচের সিরিঞ্জে গরম পানি নিয়ে চিড়িৎ চিড়িৎ। তারপর ওষুধ নিয়ে জমদেবের মতো রাগী ডাক্তার এগিয়ে আসতো। চারপাঁচজন ঝাপটে ধরে থাকতো রোগীকে। শিশুদের অবস্থা কী? নির্যাতন। প্রতিদিনের ইনজেকশন দেওয়ার পর মনে হতো যাক বাবা বাঁচা গেছে। কিন্তু আবার আসতো সেই কালো কালকে। এখন ধারালো সুঁই। ওয়ানটাইম সব। কতো উন্নতি। তবু ইনজেকশন ভয় পায় না কে? ভাবি সেই দিনের কথা। ভয়াবহ নাজুক। লেখক: চিকিৎসক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়