শিরোনাম

প্রকাশিত : ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ০৫:৪৬ বিকাল
আপডেট : ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ০১:৫৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হলমার্ক কেলেঙ্কারির মামলার রায় ঘোষণা থেকে উত্তোলন করে আবারো সাক্ষীতে

এম.এ. লতিফ, আদালত প্রতিবেদক: [২] বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক মো. আবুল কাশেমের আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন দুদকের আইনজীবী মীর আহম্মেদ সালাম মামলাটি রায় থেকে উত্তোলন পূর্বক দুইজন ম্যাজিস্ট্রেটের সাক্ষ্য নেয়ার আবেদন মঞ্জুর করেন এবং মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৪ মার্চ দিন ধার্য করেন। ম্যাজিস্ট্রেট দুজন হলেন- কেশব রায় ও সাইফুর রহমান, যারা তখন আসামিদের দেয়া ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী রেকর্ড করেছিলেন।  

[৩] এর আগে গত ২৮ জানুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক মো. আবুল কাশেম রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য আজ (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিন ধার্য করেন।

[৪] আমাদের নতুন সময়কে দুদকের আইনজীবী মীর আহম্মেদ আলী সালাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

[৫] এ মামলার আসামিরা হলেন, হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. তানভীর মাহমুদ, তার স্ত্রী ও গ্রুপের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলাম, তানভীরের ভায়রা ও গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক তুষার আহমেদ, টি অ্যান্ড ব্রাদার্সের পরিচালক তসলিম হাসান, ম্যাক্স স্পিনিং এর মালিক মীর জাকারিযা, প্যারাগন গ্রুপের এমডি সাইফুল ইসলাম রাজা, নকশী নিটের এমডি মো. আবদুল মালেক, সাভারের হেমায়েতপুরের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জামাল উদ্দিন সরকার, সোনালী ব্যাংক হোটেল শেরাটন শাখার সহকারী উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. সাইফুল হাসান ও নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল মতিন, সোনালী ব্যাংক ধানমন্ডি শাখার জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেরুন্নেসা মেরি, সোনালী ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের জিএম অফিসের জিএম ননী গোপাল নাথ ও মীর মহিদুর রহমান, সাবেক এমডি হুমায়ুন কবির, ডিএমডি মাইনুল হক, উপ-মহাব্যবস্থাপক শেখ আলতাফ হোসেন ও সফিজউদ্দিন এবং এজিএম মো. কামরুল হোসেন খান।

[৬] আসামিদের মধ্যে জামাল উদ্দিন সরকার, আলতাফ হোসেন জামিনে রয়েছেন। এছাড়া সাইফুল, মতিন, হুমায়ুন, গোপাল নাথ, তসলিম, সাইফুল, মেরী ও জাকারিয়া পলাতক রয়েছেন।

[৭] মামলা সূত্রে জানা যায়, ম্যাক্স স্পিনিং মিলস নামে ভুয়া কোম্পানির হিসাবে ৫২৫ কোটি ৬২ লাখ ৯২ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের সুতা রপ্তানি করা হয় বলে নথিপত্রে দেখিয়ে ওই একাউন্টে পুরো অর্থ জমা করা হয়। পরবর্তীতে তা থেকে ১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা হলমার্কের আরেক ভুয়া প্রতিষ্ঠান অ্যাপারেল এন্টারপ্রাইজের হিসাবে স্থানান্তর করে তানভীর ও তার স্ত্রী তুলে নেন। ০৪ অক্টোবর, ২০১২ আসামিদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ, পরস্পরের যোগসাজশে ক্ষমতার ও অর্থের অপব্যবহার এবং পাচারের অভিযোগে রাজধানীর রমনা থানায় এ মামলা দায়ের করে দুদক। ২৭ মার্চ, ২০১৬ তৎকালীন ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে পরবর্তী বিচারের জন্য ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এ বদলির আদেশ দেন। সম্পাদনা: কামরুজ্জামান

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়