শিরোনাম
◈ বিএনপিতে শুদ্ধি অভিযান শুরু, সরকারের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগে ফেঁসে যাচ্ছেন শতাধিক নেতা  ◈ তুরস্কে কন্ট্রাক্ট ফার্মিংয়ে বাংলাদেশি কৃষিবিদ ও কৃষক নিয়োগের প্রস্তাব  ◈ ফুটপাত থে‌কে জ্বলন্ত চুলা ও সিলিন্ডার সরা‌লো পু‌লিশ, আটক ৮  ◈ প্রধানমন্ত্রীকে বড়পীর আব্দুল কাদের জিলানীর (র.) মাজার জিয়ারতের আমন্ত্রণ ◈ রাজধানীজুড়ে রেস্তোরাঁয় পুলিশি অভিযান, আটক ৩৫ ◈ প্রবাসী আয়ে চমক, ৮ মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স ফেব্রুয়ারিতে ◈ রমজানে সৌদি আরবে মাইক ব্যবহার ও সম্প্রচার সীমিত করে ৯ দফা নির্দেশনা ◈ পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ◈ বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ড হাইকোর্টে রিট দায়ের ◈ গাজায় মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বন্ধে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের আহবান বাংলাদেশের

প্রকাশিত : ৩০ নভেম্বর, ২০২৩, ১০:৫৪ রাত
আপডেট : ০১ ডিসেম্বর, ২০২৩, ১২:৫৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রর শ্রমনীতি নিয়ে আমাদের এখানে কোনো প্রভাব পড়বে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মাজহারুল মিচেল: [২] পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

[৩] তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ থেকে সস্তায় ও সময় মতো পণ্য পায় বলেই কিনে থাকেন। তাদের লোভেই ঘুরে ফিরে আমাদের কাছেই আসে। আমেরিকায় সরকার বললেই ব্যবসা বন্ধ হয় না, ব্যবসা হয় মূলত দুই দেশের প্রাইভেট উদ্যোগে।

[৪] তিনি আরও বলেন, এখন কী হবে না হবে আমি জানি না। তবে আমাদের বেসরকারি খাতের ওপর আমার বিশ্বাস আছে। আমি এও বিশ্বাস করি যুক্তরাষ্ট্রে সরকার বললেই পণ্য যাওয়া বন্ধ হয় না। কারণ সেখানে বেসরকারি খাত পণ্য কেনে। তারা সরকারকে অনেক সময় পাত্তাই দেয় না। তারা কেনে কারণ তারা জিনিস সস্তায় পায়।

[৫] আব্দুল মোমেন বলেন, তৈরি পোশাকশিল্প ব্যক্তিমালিকানাধীন এবং যারা কেনে, তারাও ব্যক্তিমালিকানাধীন। ক্রেতারা ভালো মানের পণ্য ঠিক সময়ে সস্তায় পায়। আমি শুনেছি এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে দেওয়া হয়েছে। তারা বিষয়টি দেখছে। আমি এ বিষয়টি দেখি না।

[৬] তিনি বলেন, চীনের ওপর কত ধরনের সীমাবদ্ধতা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনও হোম ডিপোতে গেলে সব জিনিস চীনের তৈরি। কারণ ব্যবসায়ীরা ঠিকই চীনা পণ্য কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

[৭] যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শ্রমনীতিতে বাংলাদেশের পোশাক খাতে প্রভাব পড়বে কি না জানতে চাইলে ড. মোমেন বলেন, এ নিয়ে দুশ্চিন্তারও কোনো কারণ নেই। তবে শ্রমিকদের কল্যাণে যেকোনো পদক্ষেপে আমরা সন্তোষ প্রকাশ করি।

[৮] তিনি বলেন, শ্রমনীতির ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যে কোনো প্রভাব পড়বে না। যুক্তরাষ্ট্র-চীনের মধ্যে ব্যবসা হচ্ছে না? আমাদের এখানে যুক্তরাষ্ট্রের কোটা উঠে গেলে, তখন অনেকেই দুশ্চিন্তা করেছিলেন। পরে এটার কোনো প্রভাব পড়েনি।

[৯] পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাসের বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে ড.  মোমেন বলেন, এটা একটি রুটিন বৈঠক। এই বৈঠকের বিষয়ে আপানারা (সাংবাদিকরা) জানলেন কেমনে। আপনারা সবকিছুই জেনে যান।

[১০] স্বভাবগতভাবে সাংবাদিকদের প্রতি বিষোদকার করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, বাংলাদেশের সাংবাদিকদের দেশপ্রেম কম। আমাদের সমস্যা হলো, দেশের প্রতি ভক্তির অভাব আছে। এ জন্য অনেক গোপন নথি প্রকাশ করে দেয় আমাদের সম্মানিত মিডিয়া। এটি দুঃখজনক। এটি অন্য দেশে হয় না।

[১১] এ সময় রাজনৈতিক সংলাপ করা সম্ভব নয় জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ডোনাল্ড লুকে লেখা চিঠির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি বলে জানান মন্ত্রী।

[১২] তিনি বলেন, আমাদের দেশে সংলাপ করবেন কার সঙ্গে, সেটি একটি বড় বিষয়। যুক্তরাষ্ট্র কি এ ধরনের সংলাপ-টংলাপ করে? সেটি তাদের জিজ্ঞাসা করেন। তাদের দেশে নির্বাচনের আগে তারা সংলাপ করে কি না। আমি জানি না। আমি বহু বছর যুক্তরাষ্ট্রে ছিলাম। আমি কোনও দিন সংলাপের কথা শুনিনি।

[১৩] রাষ্ট্রদূতদের নির্বাচন নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, আমরা সব সময় বলে থাকি তারা যেন ভিয়েনা কনভেনশনে যা করার কথা সেটি করবেন, এর বাইরে করবেন না। তারা অত্যন্ত পরিপক্ব কূটনীতিক। তারা জানেন কী করতে হবে।

এমএম/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়