শিরোনাম

প্রকাশিত : ১৯ নভেম্বর, ২০২৩, ০৮:৫৮ রাত
আপডেট : ২০ নভেম্বর, ২০২৩, ০১:৪৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাকিব মনোনয়ন ফরম কেনায় যা বলছেন মাগুরার আওয়ামী লীগের নেতারা

এল আর বাদল: [২] বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান মাগুরার রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। শনিবার তার পক্ষে একজন প্রতিনিধি মাগুরা-১, মাগুরা-২ ও ঢাকা-১০ আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কেনার পর সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনা চলছে। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মাগুরার আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, সাকিবকে তারা কখনো স্থানীয় রাজনীতি বা এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হতে দেখেননি। তবে মনোনয়নের বিষয়ে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তই শেষ কথা।

[৩] সাকিবের এক আত্মীয় বলেন, মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়েছে। সাকিব দেশের বাইরে আছেন। দেশে ফিরে তিনি মনোনয়ন ফরম জমা দেবেন। 

[৪] সাকিবের বাড়ি মাগুরা শহরের সাহাপাড়ায়। এটি মাগুরা-১ আসনের মধ্যে। সদর উপজেলার একটি পৌরসভা, নয়টি ইউনিয়ন ও শ্রীপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখর। এই আসনের আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের বেশির ভাগই বর্তমান সংসদ সদস্যের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। এই নেতাদের কাছে সাকিব আল হাসানের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করাটা অনাকাক্সিক্ষত।

[৫] এ বিষয়ে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান বলেন, সে যে মনোনয়ন ফরম কিনছে, এটা আমি, আমার সভাপতি বা দলের কেউ জানে বলে আমার মনে হয় না। আমি ৩৪ বছর ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। এই সময়ে আমি কখনো সাকিব বা তার পরিবারের কাউকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা দেখিনি। তাদের এই দলের প্রতি কোনো কন্ট্রিবিউশন (অবদান) আছে বলেও মনে হয় না।

[৬] একই ধরনের বক্তব্য শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমাউনূর রশীদ মুহিতের। তিনি বলেন, আমার মনে হয় তার (সাকিব আল হাসান) আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদও নেই। তাকে মনোনয়ন দেওয়া হলে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা মুখ ফিরিয়ে নেবেন।

[৭] সদর উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন, শালিখা ও মহম্মদপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত মাগুরা-২ আসনের জন্যও মনোনয়ন ফরম কিনেছেন সাকিব। এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার। আলোচনা চলছে সেখানেও। শালিখা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শ্যামল কুমার দে বলেন, নমিনেশনের (মনোনয়ন) ব্যাপারটা তো নেত্রীর হাতে। নেত্রী যাকে দেবেন, তাকে নিয়েই আমাদের নির্বাচন করতে হবে। অন্য জায়গার কথা তো বলতে পারব না, এই শালিখা উপজেলায় রাজনৈতিক কোনো কর্মকাণ্ডে বা কারও সঙ্গে তার (সাকিব আল হাসান) কোনো সম্পর্ক আছে বলে আমার জানা নেই। 

[৮] সাকিবের মনোনয়ন ফরম কেনার বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ ফ ম আবদুল সত্তাহ বলেন, মনোনয়ন যে কেউ কিনতেই পারেন। কিন্তু আমরা মনে করি, দলের জন্য যারা দীর্ঘদিন ধরে নিবেদিতভাবে কাজ করেছেন, ছাত্রজীবন থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেছেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে যাদের অবস্থান, এমন মানুষকেই মনোনয়ন দেওয়া উচিত। তথ্যসূত্র: প্রথমআলো, সম্পাদনা: তারিক আল বান্না

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়