শিরোনাম
◈ মেধাভিত্তিক প্রজন্ম গড়ে প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ বিনামূল্যে ফেসবুক ভেরিফায়েড ব্যাজ, চালু হচ্ছে মেটার নতুন সুবিধা ◈ সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন: আইনমন্ত্রী ◈ রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি নিয়ে বিতর্ক, কী বলছে বাংলাদেশের সংবিধান ◈ নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ১০ লাখ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের তথ্যভাণ্ডার তৈরি করছে সরকার, আসছে নজরদারিতে ◈ ২৬ দিনের অনশন ভেঙে সমালোচনার মুখে সোনম ওয়াংচুক, ভিডিও বার্তায় দিলেন জবাব (ভিডিও) ◈ ‌ক্রিশ্চিয়া‌নো রোনালদোর অবসর পর্তুগালকে কোটি কোটি টাকার ক্ষতির মুখে ফেলে দেবে, কেন এমন দাবি বিপণন বিশেষজ্ঞদের? ◈ মধ্যরাতে ফের ন‌রেন্দ্র মোদির ভিডিওবার্তা, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ইস্যুতে সরকারের অবস্থান চূড়ান্ত?  ◈ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট নয়, বিদায় হবে স্মরণীয়, কবে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানাবেন মেসি? ◈ সাহাবু‌দ্দিনসহ  কোন কোন রাষ্ট্রপতি তাদের মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেননি

প্রকাশিত : ৩০ জানুয়ারী, ২০২৩, ০৯:২৩ রাত
আপডেট : ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩, ০৪:৫৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশের কৃষিপণ্য সরাসরি যাবে মধ্যপ্রাচ্যে

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক

সঞ্চয় বিশ্বাস: সিঙ্গাপুর ঘুরে নয় বাংলাদেশের কৃষিপণ্য নিয়ে জাহাজ সরাসরি মধ্যপ্রাচ্য যেতে পারবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। জাগোনিউজ, বাংলানিউজ

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কৃষিপণ্য ও আলু রপ্তানির অগ্রগতিবিষয়ক সভার শুরুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, আমি দুবাই গিয়েছিলাম। সম্প্রতি দুবাই বন্দরের সঙ্গে আমাদের সমঝোতা হয়েছে। সিঙ্গাপুর না হয়ে সরাসরি যেতে পারলে সবজি নিয়ে চার-পাঁচদিনে আমাদের জাহাজ দুবাই যেতে পারবে। এ নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে আগেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। আমরা তাতে সহায়তা করেছি। মধ্যপ্রাচ্যে সরাসরি আমরা শাক-সবজি ও ফলমূল পাঠাতে পারবো।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আমাদের প্রতিযোগী পাকিস্তান, ভারত ও তুরস্ক। ভারত আলু রপ্তানি করে। এসব দেশের পণ্যবাহী জাহাজ সরাসরি দুবাইসহ মধ্যপ্রাচ্যের বন্দরগুলোতে যেতে পারে। কিন্তু আমাদের জাহাজ সিঙ্গাপুর হয়ে যেতে হয়।

তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনে জাতির কাছে আমরা অঙ্গীকার করেছিলাম যে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তুলবো। এখন মানুষ আর না খেয়ে থাকে না। অন্তত দুবেলা ভাত খেতে পারেন। আমরা সেই লক্ষ্যে পৌঁছেছি। এখন আমাদের লক্ষ্য মানুষকে পুষ্টিসমৃদ্ধ নিরাপদ খাদ্য দেওয়া। 

তিনি বলেন, ‘চর ও হাওর এলাকায়, যে অঞ্চলকে আমরা বলতাম, কৃষিতে অনুন্নত। তাদের পরিবেশও প্রতিকূলে। সেই কারণে তিনটি বিষয় সামনে রেখে আমরা অগ্রসর হচ্ছি। কৃষিকে আমরা আধুনিকীকরণ করবো, যান্ত্রিকীকরণ করবো ও কৃষিকে লাভজনক করতে বাণিজ্যিকীকরণ করবো। এজন্য স্থানীয় বাজার ও আন্তর্জাতিক বাজার দুটোতেই জোর দিতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে যেতে হলে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে। খাদ্যের মান বজায় রাখতে হবে। আমরা সেইলক্ষ্যে কাজ করছি। যদিও করোনা মহামারির কারণে দুই থেকে আড়াই বছর আমরা অনেক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে পারিনি।’

এসবি২/এসএ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়