শিরোনাম
◈ ভ্যান্সের ‘একমাত্র মিত্র’ মন্তব্যে নেতানিয়াহু: ভারতের মতো আরও বন্ধু রয়েছে আমাদের ◈ অতিরিক্ত বিল নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের নতুন বার্তা ◈ ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ, মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজট ◈ 'খেলা শেষ, খোদা হাফেজ': কী ইঙ্গিত করে লিখলেন মাহফুজ আলম ◈ বরিশালের আলোচিত নির্যাতনকাণ্ড: লিটুর পাশে ছিলেন যুবদলের পদধারী নেতা, ভাইরাল ভিডিওতে নতুন তথ্য ◈ প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ যুবরাজ সালমানের ◈ ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বরফ গললেও চীনের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করছে বাংলাদেশ ◈ ১১ জুলাইয়ের মধ্যে সব বেসরকারি ক্লিনিকে ডেলিভারি রুম বাধ্যতামূলক, না হলে লাইসেন্স বাতিল ◈ ১৬ জুলাই ছুটি থাকবে? ‘জুলাই শহীদ দিবস’ নিয়ে সরকারের যে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিলেন ◈ তহবিল অনিশ্চয়তায় ধীর গতিতে বাংলাদেশের সবুজ জ্বালানি পরিকল্পনা

প্রকাশিত : ০৬ জুলাই, ২০২৬, ০৩:০২ দুপুর
আপডেট : ০৬ জুলাই, ২০২৬, ০৪:১৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অপ্রয়োজনীয় সিজার ঠেকাতে কঠোর সরকার, ১১ জুলাই পর্যন্ত ক্লিনিকগুলোকে আল্টিমেটাম

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান অপারেশন করার প্রবণতায় লাগাম টানতে আগামী শনিবারের (১১ জুলাই) মধ্যে দেশের সব বেসরকারি ক্লিনিকে লেবার রুম (স্বাভাবিক প্রসবকক্ষ) স্থাপন করতে হবে। এ নির্দেশনা কোনো ক্লিনিক না মানলে তাদের লাইসেন্স বাতিল করে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হবে।

একই সঙ্গে তিনি জানান, সব বেসরকারি ক্লিনিকে মিডওয়াইফ (ধাত্রী) নিয়োগ বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতে গর্ভবতী নারীরা স্থানীয় পর্যায়ে সঠিক পরামর্শ পাবেন এবং স্বাভাবিক প্রসবে উৎসাহিত হবেন।

আজ সোমবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটি (বিএমএস) আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান অপারেশনের প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। বর্তমানে দেশের একটি শ্রেণি অতিমাত্রায় মুনাফাকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে। মানুষের কল্যাণ বা দেশের স্বার্থের চেয়ে অর্থ উপার্জনই তাদের প্রধান লক্ষ্য। স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

মন্ত্রী জানান, একসময় দেশে অধিকাংশ সন্তান জন্ম হতো স্বাভাবিক প্রসবের (নরমাল ডেলিভারি) মাধ্যমে। গ্রামাঞ্চলে অভিজ্ঞ দাইয়ের সহায়তায় নিরাপদে সন্তান প্রসবের দীর্ঘ ঐতিহ্য ছিল। এখন স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন ঘটলেও বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ানের প্রবণতা বেড়েছে।

গর্ভাবস্থার শুরুতে দালালচক্র ও কিছু চিকিৎসাকেন্দ্র পরিবারের সদস্যদের ভয়-ভীতি দেখায় বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কিছু বেসরকারি ক্লিনিক ও দালালচক্র গর্ভবতী নারীদের নানা ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে সিজারিয়ান করাতে উদ্বুদ্ধ করছে। এই অবস্থা থেকে জাতিকে রক্ষা করতে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নেবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অপারেশন না করলে মা কিংবা সন্তান বাঁচবে না’—এমন আশঙ্কা তৈরি করে সিজারিয়ানের সিদ্ধান্তে বাধ্য করা হয়। স্বাভাবিকভাবেই মা ও সন্তানের জীবন নিয়ে ঝুঁকি নিতে না চাওয়ায় পরিবারগুলো এই ফাঁদে পা দেয়।

তিনি বলেন, চিকিৎসকরা মানুষের কাছে আল্লাহর পর সবচেয়ে বড় ভরসার জায়গা। তাই চিকিৎসা পেশায় নৈতিকতার বিষয়টি আরও শক্তিশালীভাবে বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়