শিরোনাম
◈ তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর দিয়ে আবার প্রত্যাহার করল ভারত ◈ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও চারজন, শপথ আজ সন্ধ্যায় ◈ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য সরকারের নির্দেশনা ◈ শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বড় বাজেট বাস্তবায়ন করেছে বিএনপি সরকার: অর্থমন্ত্রী ◈ জিন্নাহর গোপন রোগের তথ্য ফাঁস, ৭৯ বছর পর পুরস্কৃত দুই চিকিৎসক ◈ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানালেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ◈ ইতালি রোমের আলোচিত ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে যা বললেন নগরবাউল জেমস! ◈ ডলারের দাম অপরিবর্তিত, সপ্তাহজুড়ে ওঠানামা পাউন্ড-ইউরোসহ অন্যান্য মুদ্রায় ◈ বিলের পানিতে হাঁস পালন করে বদলাচ্ছে নড়াইলের তরুণদের ভাগ্য, ডিমের বাজার ২২ কোটি টাকা! ◈ ‘ভুয়া’ খবর বিষয়ক সতর্কবার্তা দিল ভারতীয় হাইকমিশন

প্রকাশিত : ০৫ জুলাই, ২০২৬, ০৮:২১ রাত
আপডেট : ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

১৫ আগস্ট নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের দ্বিতীয় ইউনিট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১৫ আগস্ট ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের দ্বিতীয় ইউনিট উদ্বোধন করবেন।

রোববার (৫ জুলাই) রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস ও হাসপাতালের ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট দ্বিতীয় ইউনিট উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।  

তিনি বলেন, ‘আগামী ১৫ আগস্ট ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস ও হাসপাতালের দ্বিতীয় ইউনিট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আমি বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালটি পরিদর্শন করলে, এর উন্নয়নে যা যা প্রয়োজন সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন।’

বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের আলোকে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে জানিয়ে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, নির্বাচনি ইশতেহারের আলোকে স্বাস্থ্যসেবাকে গড়ে তোলা হবে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে। যেমন- চট্টগ্রাম থেকে কাউকে স্বাস্থ্যসেবা নিতে ঢাকায় আসতে হবে না। গ্রামের মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া হবে। আমরা সবার সহযোগিতা চাই।

তিনি বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীকে সহযোগিতা না করলে তিনি সফল হতে পারবেন না। তিনি পলিসি দেবেন এবং আমরা তা বাস্তবায়ন করব। আমরা তাকে সহযোগিতা করব। প্রধানমন্ত্রী যেখানে সৃষ্টির সম্ভাবনা দেখেন, সেখানে ঝাঁপিয়ে পড়েন সেটাকে আরও বিকশিত করতে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গত দুই মাস ধরেই ডেঙ্গু মোকাবিলার প্রস্তুতি চলছে। জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক এবং সিটি করপোরেশনের প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে প্রতিটি জেলায় সমন্বিত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে। মশার লার্ভা ধ্বংসে প্রয়োজনীয় ট্যাবলেট সরবরাহ এবং উড়ন্ত মশা নিধনে স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। রোগী ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত স্যালাইন মজুত, মোবাইল হাসপাতাল প্রস্তুত এবং চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পর্যাপ্ত স্যালাইন সংগ্রহ করা হয়েছে, যাতে কোনো রোগী স্যালাইনের সংকটে না পড়েন এবং গুরুতর জটিলতা এড়ানো সম্ভব হয়।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এমএ মুহিত বলেন, আমাদের সরকার স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবা যেন সবাই সমানভাবে পেতে পারেন, সেজন্য স্বাস্থ্যসেবার বিকেন্দ্রীকরণ জরুরি। এ লক্ষ্যে অন্তত চারটি পুরোনো বিভাগীয় শহরে নিউরোসায়েন্স ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করতে চাই। সে ক্ষেত্রে এই হাসপাতালের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখান থেকে যদি পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরি করা না যায়, তাহলে ওইসব ইনস্টিটিউট কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে না।

সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান ও হাসপাতালটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. নুরুজ্জামান খান খসরু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: যুগান্তর 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়