বৃষ্টি-জলাবদ্ধতার কারণে শেষ মুহূর্তে রাজধানীতে কমেছে কোরবানির পশু বেচাকেনা। ফলে অল্প লাভেই গরু বিক্রি করছেন ব্যাপারীরা। ক্রেতারা বলছেন, দুপুরের পর থেকেই কমেছে গরুর দাম। সামর্থ্যের মধ্যে কোরবানির পশু কিনতে পারায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন তারা।
দিনভর বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে রাজধানীর গরুর হাটগুলোতেও। দেখা দেয় জলাবদ্ধতা। এমন পরিস্থিতিতে ক্রেতা সমাগম কমে যাওয়ায় বিকেল থেকেই কমতে শুরু করেছে গরুর দাম।
গাবতলী ও ৩০০ফিটসহ রাজধানীর বিভিন্ন হাটে পর্যাপ্ত কোরবানির পশু সরবারহ থাকলেও দেখা মিলছে না ক্রেতার। যে কারণে গত কয়েকদিনের তুলনায় ১০-১৫ হাজার টাকা কমেই গরু বিক্রি করছেন ব্যাপারীরা।
ক্রেতারাও বলছেন, বৃষ্টির কারণে দুপুরের পর থেকেই কোরবানির পশুর দাম কমেছে। যদিও তাদের দাবি, বড় ও মাঝারি গরু কম দামে মিললেও ছোট গরুর দাম ছাড়তে চাইছেন না বিক্রেতারা।
সিরাজগঞ্জের এনায়তেপুত থেকে ১০টি গরু নিয়ে রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিটে গরুর হাটে এসেছেন ইসমাইল মিয়া। বৈরী আবহাওয়ার কারণে অল্প লাভেই আটটি গরু বিক্রি করেছেন তিনি। যদিও তার দাবি, এবারের কোরবানির হাটে লোকসান গুনতে হচ্ছে ব্যাপারীদের।
সুরুজ আলী নামের এক ব্যবসায়ী গাবতলী হাটে গরু এনেছেন ১৮টি। ১০টি বিক্রি করতে পেরেছেন। অন্য আটটি গরুর দাম কম বলছে ক্রেতারা।
ব্যবসায়ীদের আশা, বৃষ্টি না হলে হাটে অবিক্রিত গরুগুলো আগামীকালের মধ্যেই বিক্রি হয়ে যাবে। নয়তো তাদেরকে এবার বড় লোকসান গুনতে হবে। উৎস: সময়নিউজটিভি।