শিরোনাম
◈ বিরোধী দলের ওয়াকআউট পরিকল্পিত, আইন প্রণয়নে সহযোগিতা করছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ, ১৭ ব্যাংক দেবে ৪১ হাজার কোটি ◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ ◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ◈ এবার সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ পড়লেন গাজী নজরুল ইসলাম ◈ সংসদে বিল উত্থাপন : গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি

প্রকাশিত : ০৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৭ রাত
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজনীতি–অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন না এলে জেনজি আবার অভ্যুত্থান ঘটাতে পারে: পরিবেশ মন্ত্রী

প্রতিবেশী দেশ নেপালের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সামঞ্জস্যতা তুলে ধরে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, ‘নতুন বাস্তবতায় রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন না এলে জেনজি (জেনারেশন জেড) নেতৃত্বে আবার গণ-অভ্যুত্থান হতে পারে।’

আজ শনিবার রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন বিনোদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে তাঁর লেখা ‘মেড ইন নেপাল: লেসনস ইন বিজনেস বিল্ডিং ফ্রম দ্য ল্যান্ড অব এভারেস্ট’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমাতে ভালো রাজনীতি ও অর্থনীতি প্রয়োজন। এই দুইয়ের সম্পর্ক পরস্পর যমজ ভাইয়ের মতো। ভালো রাজনীতি ছাড়া ভালো অর্থনীতি সম্ভব নয়, আবার ভালো অর্থনীতি ছাড়া ভালো রাজনীতির নজিরও পৃথিবীর কোথাও নেই। এই দুইয়ের অভাবেই দারিদ্র্য ও বৈষম্য তৈরি হয়। বাধ্য হয়ে মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। বাংলাদেশ ও নেপাল এ বাস্তবতার সাম্প্রতিকতম উদাহরণ। নতুন বাস্তবতায় রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন না এলে জেনজি (জেনারেশন জেড) নেতৃত্বে আবার গণ-অভ্যুত্থান হতে পারে।

একই অনুষ্ঠানে নেপালের একমাত্র বিলিয়নিয়ার ও সিজি-কর্প গ্লোবালের চেয়ারম্যান বিনোদ কে চৌধুরী বলেছেন, ‘মাঝেমধ্যে আমাদের ভাগ্য ভৌগোলিক অবস্থান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তাই আমি মনে করি, ভারতের সঙ্গে রাজনৈতিক দিকটি টেনে আনার প্রয়োজন নেই। উভয় দেশকেই ভারতের সঙ্গে মিলে কাজ করতে হবে, যাতে সবার স্বার্থগুলো বাস্তবায়িত হয়। ব্যবসায়িক প্রয়োজনে তিন দেশের (বাংলাদেশ, নেপাল ও ভারত) মধ্যে দ্বিপক্ষীয় ও ত্রিপক্ষীয় সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।’

গত ৩০ বছরে নেপাল ও বাংলাদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক খুব একটা এগোয়নি বলে মন্তব্য করে বিনোদ চৌধুরী বলেন, ‘সম্প্রতি নেপাল বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু করেছে। এ ছাড়া আরও অনেক ক্ষেত্র রয়েছে, যেখানে বাংলাদেশ ও নেপাল বড় আকারের সহযোগিতার নতুন দুয়ার খুলতে পারে। আমি চাই, আমাদের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধি পাক, বিশেষ করে নেপালের রপ্তানি বৃদ্ধি পাক।’

অনুষ্ঠানে আইসিসিবি সভাপতি মাহবুবুর রহমান সঞ্চালনা করেন। এতে অতিথি ছিলেন—বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি; আইসিসিবির সহসভাপতি নাসের এজাজ বিজয় ও কার্যনির্বাহী সদস্য কুতুবুদ্দিন আহমেদ; সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ফারুক সোবহান এবং বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—উত্তরা গ্রুপ অব কোম্পানিজের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান, ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি রিজওয়ান রাহমান প্রমুখ। উৎস: আজকের পত্রিকা।

 

  • সর্বশেষ