শিরোনাম
◈ মগবাজারের বৃদ্ধকে প্রধানমন্ত্রীর ফোন ◈ দুই জাহাজ কেনায় উধাও ১০ মিলিয়ন ডলার ◈ বাংলাদেশ ব্যাংক-এর নতুন নির্দেশ: খেলাপি ঋণ ও ঝুঁকি শনাক্তে তদারকি জোরদার ◈ দুই যুদ্ধ এক সুতোয়: ইউক্রেন-ইরান সংঘাতে বাড়ছে বৈশ্বিক ঝুঁকি—গার্ডিয়ান ◈ চাই‌নিজ তাই‌পে‌কে হা‌রি‌য়ে এশিয়ান গেমস হকির বাছাইপর্ব শুরু কর‌লো বাংলাদেশ ◈ সরকারি-বেসরকারি অফিস চলবে অফিস ৯টা–৪টা, সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ দোকানপাট- শপিংমল: মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত ◈ মার্চ মাসে রপ্তানি ঘাটতি ২০ শতাংশ ◈ ফুটপাত হকারমুক্ত করতে ঢাকায় ৮ নৈশ মার্কেট চালুর পরিকল্পনা ডিএসসিসির ◈ বিসিবি থে‌কে আরও এক পরিচালক পদত্যাগ করলেন ◈ হরমুজ সংকটে তেল-গ্যাস বাজার অস্থির, বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে: জাতিসংঘ

প্রকাশিত : ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬, ০১:২০ দুপুর
আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রিজার্ভ চুরি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ ৯২ বার পেছালো

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ফের পিছিয়েছে। এ নিয়ে ৯২ বার পেছাল প্রতিবেদন দাখিলের দিন। তদন্ত প্রতিবেদন জমার জন্য আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারির তারিখ ধার্য করেছেন আদালত। 

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে মামলার প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য করেন।

রিজার্ভ চুরির ঘটনায় হওয়া মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার দিন ছিল আজ। তবে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান উদ্দিন খান প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এ জন্য আদালত প্রতিবেদন দাখিলের দিন পিছিয়েছে। 

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রুকনুজ্জামান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। 

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি জালিয়াতি করে সুইফট কোডের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের আট কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়। স্থানান্তরিত এসব টাকা ফিলিপাইনে পাঠানো হয়েছিল। দেশের অভ্যন্তরেরই কোনও একটি চক্রের সহায়তায় এই অর্থপাচার হয়েছে বলে তখন ধারণা করেছিলেন সংশ্লিষ্টরা।

পরে ওই বছরের ১৫ মার্চ রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের যুগ্ম পরিচালক জুবায়ের বিন হুদা। অর্থপাচার প্রতিরোধ আইনের ওই মামলায় সরাসরি কাউকে আসামি করা হয়নি।

বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি। কিন্তু, দফায় দফায় সময় নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে পারেনি সংস্থাটি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের খোয়া যাওয়া আট কোটি ১০ লাখ ডলার ফিলিপাইনের স্থানীয় মুদ্রা পেসোর আকারে চলে যায় তিনটি ক্যাসিনোতে। এর মধ্যে একটি ক্যাসিনোর মালিকের কাছ থেকে দেড় কোটি ডলার উদ্ধার করে দেশটির সরকার যা বাংলাদেশ সরকারকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে, এখনও ছয় কোটি ৬৪ লাখ ডলার পাওয়া যায়নি।

রিজার্ভ চুরির তিন বছর পর ২০১৯ সালে ওই অর্থ উদ্ধারের আশায় নিউইয়র্কের ম্যানহাটন সাদার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে একটি মামলা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই মামলা খারিজে আবেদন করে আরসিবিসি। রায়ে আদালত বলেছিল, ওই মামলা বিচারের ‘পর্যাপ্ত এখতিয়ার’ তাদের নেই। এরপর বাংলাদেশ বাংকের পক্ষ থেকে নিউইয়র্কের ‘এখতিয়ারভুক্ত’ আদালতে মামলা করা হয় বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়