শিরোনাম
◈ বাংলা‌দে‌শের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দ‌লে নেই শান্ত ◈ হলফনামায় চমক: জোনায়েদ সাকির চেয়ে স্ত্রীর সম্পদ অনেক বেশি ◈ নি‌জের মাঠেই হোঁচট খে‌লো লিভারপুল ◈ বাছাইয়ের প্রথম দিনে বিএনপি-জামায়াতসহ হেভিওয়েট যেসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হলো ◈ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিলে কী পাবেন, ‘না’ দিলে কী পাবেন না ◈ বগুড়া-২ আসনে মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ ৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ◈ ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে হাদি হত্যার বিচার না হলে সরকার পতনের আন্দোলন: ইনকিলাব মঞ্চ (ভিডিও) ◈ খালেদা জিয়ার ভারতের জলপাইগুড়িতে জন্ম ও শৈশব নিয়ে যা জানা যায় ◈ ২১ বছর পর চূড়ান্ত হলো জাতীয় নগর উন্নয়ন নীতিমালা, নগরায়ণে নতুন দিশা দিচ্ছে সরকার ◈ আমি আমার মতো করেই রাজনীতি চালিয়ে যাব: রুমিন ফারহানা

প্রকাশিত : ০২ জানুয়ারী, ২০২৬, ০২:৪২ দুপুর
আপডেট : ০২ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অবৈধ হ্যান্ডসেট বন্ধের বিষয়ে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী

ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (NEIR) চালুর পরও আগামী ৯০ দিন কোনো অবৈধ বা ক্লোন করা হ্যান্ডসেট বন্ধ করা হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফাইজ তাইয়েব আহমেদ। তিনি এ বিষয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, মোবাইল অপারেটরদের কাছ থেকে প্রায় তিন বিলিয়নের বেশি ডেটাসেট সংগ্রহ করা হয়েছে, যার মধ্যে ঐতিহাসিক (হিস্টোরিক) তথ্যও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মাইগ্রেশন প্রক্রিয়ায় আপাতত এসব পুরোনো ডেটা দেখানো হওয়ায় অনেকের জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে সচল সিম বা হ্যান্ডসেটের সংখ্যা বেশি দেখা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, বিটিআরসি ও মোবাইল অপারেটররা যৌথভাবে বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। ধাপে ধাপে হিস্টোরিক ডেটা আর্কাইভ করা হবে এবং কেবল বর্তমানে সচল হ্যান্ডসেটের তথ্য প্রদর্শিত হবে। এজন্য কিছুটা সময় প্রয়োজন হবে।

NEIR নিয়ে বিভিন্ন কারিগরি ত্রুটি ও সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করে ফাইজ তাইয়েব আহমেদ জানান, শুরুর দিকে এমন জটিলতা দেখা দেওয়া স্বাভাবিক। এগুলো সমাধানে নতুন করে ভিএপিটি (Vulnerability Assessment and Penetration Testing) করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, NEIR কোনো নতুন সিস্টেম নয়। এটি ২০২১ সালে প্রথম চালুর চেষ্টা হয়েছিল। পরবর্তীতে ফাংশনাল ফিচার বাড়িয়ে বর্তমানে এটি সক্রিয় করা হয়েছে।

ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করা হয়, আগে একজন ব্যক্তি একটি এনআইডির বিপরীতে সর্বোচ্চ ২০টি এবং পরে ১৫টি সিম ব্যবহার করতে পারতেন। বর্তমানে তা কমিয়ে ১০টি করা হচ্ছে। ফলে এনআইডির বিপরীতে বেশি সংখ্যক হ্যান্ডসেট বা সিম দেখানো স্বাভাবিক।

ফাইজ তাইয়েব বলেন, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে নাগরিকরা তাদের এনআইডির বিপরীতে কত সিম ও ডিভাইস ব্যবহার হয়েছে তা জানতে পারবেন, যা মোবাইল ব্যাংকিং বা অনলাইন জুয়া সংক্রান্ত আর্থিক অপরাধ প্রতিরোধে সহায়ক হবে।

ডাটাবেজ নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি জানান, নিরাপদ ডিজিটাল টোকেন (JWT), রেট লিমিটিংসহ বিভিন্ন সুরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে এনআইডি জানলে আইএমইআই তথ্য পাওয়া যাওয়ার বিষয়টি নজরে আসায় আরও একটি নিরাপত্তা স্তর যুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শেষে তিনি সমস্যাগুলো সমাধানে সময় দেওয়ার জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন। উৎস: নিউজ২৪

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়