দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সেনাবাহিনী বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে। নবম পদাতিক ডিভিশনের অধীনস্থ সেনা ইউনিট জানিয়েছে যে, পূজাকে কেন্দ্র করে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল কোনো ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রধান নির্দেশনাগুলো হলো:
উচ্চস্বরে গান বাজানো পরিহার: নামাজ বা অন্য ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সময় উচ্চস্বরে গান বাজানো যাবে না। বিশেষ করে বয়স্ক এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের অসুবিধার কথা বিবেচনা করে রাতে উচ্চ শব্দে গান বাজানো থেকে বিরত থাকতে হবে।
গুজব ও মিথ্যা তথ্য প্রতিরোধ: মিথ্যা গুজব বা ভুল তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে। কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি বা কার্যক্রম দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে হবে। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না।
ধর্মীয় সম্প্রীতি: বাংলাদেশ একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ দেশ, যেখানে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসবাস করে। কোনো স্বার্থান্বেষী মহল যেন ধর্মীয় বিভেদ তৈরি করতে না পারে, সেদিকে সজাগ থাকতে হবে।
শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা: প্রতিটি পূজা মণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবক বা লোকবল দিয়ে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করতে হবে। মণ্ডপের ভেতরে যেন কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
আইনের প্রয়োগ: সেনাবাহিনী তাদের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার পূর্ণ প্রয়োগ করে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি দমন করবে। সিআরপি রুল অনুযায়ী, যারা আইন ভঙ্গ করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সেনাবাহিনী সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপনের আহ্বান জানিয়েছে এবং স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র বা দল নির্বিশেষে সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। তথ্যসূত্র: চ্যানেল-২৪