শিরোনাম
◈ আনন্দ-সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে এলো ঈদুল ফিতর ◈ ১৮৬ বাংলাদেশি ইরান থেকে আজারবাইজান হয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন ◈ ঈদের দিন সকালে ঝড়বৃষ্টির আশঙ্কা নিয়ে যা জানালেন আবহাওয়া অধিদপ্তর ◈ হরমুজ প্রণালিতে নিবন্ধন পদ্ধতি চালু করছে ইরান, এক জাহাজ থেকেই ২০ লাখ ডলার টোল আদায় ◈ কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইফতার আয়োজন ঘিরে উত্তপ্ত দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ◈ ইরান যুদ্ধ বন্ধে চীনের তাড়া নেই যেই পাঁচ কারণে ◈ ইরানকে ঘিরে নতুন কৌশল: পাইপলাইন পরিকল্পনার কথা ইসরায়েলের ◈ ঈদের আগে প্রবাসী আয়ে চাঙা রিজার্ভ ◈ এপ্রিলে দিল্লি সফরে যেতে পারেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ◈ পদ্মা-যমুনা সেতুতে টোল আদায়ে রেকর্ড

প্রকাশিত : ০৪ আগস্ট, ২০২৪, ০৬:৩৪ বিকাল
আপডেট : ০৮ মার্চ, ২০২৫, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সহিংসতা ও নাশকতায় ব্যবহার হচ্ছে কিশোর টোকাইরা 

ইমন হোসেন: [২] অগ্নিসংযোগ,ভাঙচুর, হত্যা ও লুটতরাজের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলনকে সহিংস রূপ দিতে টোকাই, মাদকাসক্ত ও বেকার তরুণদের বেছে নিয়েছে দুষ্কৃতকারীরা। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, প্রতিটি বাসে আগুন দিলে ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পায় টোকইরা। বোমা হামলা করলে এক থেকে দুই হাজার টাকা পায়। টাকার লোভে এসব টোকাই কিশোর ও তরুণরা নাশকতা করে আসছে।(বাংলা ট্রিবিউন) 

[৩] ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সূত্র বলছে, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন সহিংস রূপ নেওয়ার পর ঢাকার যাত্রাবাড়ী, শনিরআখড়া, রায়েরবাগ, রামপুরা, বাড্ডা, নতুনবাজার, মহাখালী, ধানমন্ডি, মিরপুর, মোহাম্মদপুর ও উত্তরাসহ বিভিন্ন এলাকায় ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম চলে সবচেয়ে বেশি। আন্দোলনে ছিন্নমূল লোকদের পাশাপাশি কিশোর, টোকাই, হকাররাও অংশ নিয়েছিল। টাকার চুক্তিতে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।(কালবেলা ২৬-০৭-২০২৮)  

[৪] প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, হাইকোর্ট থেকে পল্টন যাওয়ার দিকে মেট্রোরেল স্টেশনের সামনে দুটি বাসে অগ্নিসংযোগ করা হয়। হামলাকারীদের দেখে শিক্ষার্থী মনে হয়নি। কারণ তাদের বড় অংশ মধ্যবয়সী এবং তাদেও সঙ্গে ছিল টোকাই। (বাংলা ইনসাইডার)

[৫] ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন, আন্দোলনের নামে চলমান নাশকতায় শিক্ষার্থীদের কোনো সংশ্লিষ্টতা মেলেনি। বিভিন্ন তথ্য, ছবি ও ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, টাকার বিনিময়ে টোকাই ও ছিন্নমূলদের দিয়ে রাজধানীর উত্তরাসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ এবং নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছে। যারা টাকা দিয়েছে এবং যারা টাকা নিয়ে হামলা করেছে, তাদের সবাইকে শনাক্ত করা হচ্ছে।(ভোরের কাগজ ২৭-০৭-২০২৪) সম্পাদনা: সমর চক্রবর্তী      

এসবি২

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়