শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্র–ইরান টানাপোড়েন: সমঝোতার পথ সংকীর্ণ, বাড়ছে ‘মৃত্যু ও ধ্বংসের’ আশঙ্কা ◈ এপ্রিলে ৩ দেশ সফর করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান: দ্য প্রিন্টের খবর ◈ মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পর কতটুকু কার্যকর? ◈ ব্যাংক ঋণে ব্যবসা করা হালাল হবে কিনা, এ নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ◈ শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা পাওয়া নিয়ে স্বস্তির খবর, যা জানালেন মাউশি ◈ ফিফা র‍্যাঙ্কিং- আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের অবনতি, বাংলা‌দেশ ১৮২ নম্ব‌রে ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি: শর্ত নিয়ে প্রশ্ন, পর্যালোচনায় সরকার ◈ জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতের তথ্য দিলে মিলবে পুরস্কার, সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান শুরু ◈ ৭১-এর অপরাধ পাকিস্তান আজও অস্বীকার করে, বাংলাদেশের পাশে আছে ভারত: রণধীর জয়সওয়াল ◈ সৌদি আরব সত্যিই কি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াতে পারে, যা রয়েছে গোয়েন্দা তথ্যে

প্রকাশিত : ১০ জুন, ২০২৪, ০৮:৪০ রাত
আপডেট : ১১ জুন, ২০২৪, ১০:৪৮ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এমপি আনার হত্যা মামলার তদন্ত শেষে অনেকেই গ্রেপ্তার হতে পারেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আনিস তপন: [২] আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, দুই দেশেই তদন্ত চলছে। তবে যেহেতু ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতাতে এই খুনের ঘটনা ঘটেছে, তাই মূল তদন্তটা সেখানেই হবে।

[৩] সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। 

[৪] মন্ত্রী বলেন, ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের মরদেহ শনাক্ত হলে অনেক কিছুই প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

[৫] পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনার একটি খাল থেকে কিছু হাড় উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে বলেছিলেন সত্যের খুব কাছাকাছি চলে এসেছি। সেই কাছাকাছিটা কতদূর- সাংবাদিকরা এমন প্রশ্ন করলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখনো বলছি; সত্যের কাছাকাছি এসে গিয়েছি। ডেডবডিটা সুনিশ্চিত হলে তখন অনেক কিছু প্রকাশ করা যাবে।

[৬] স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তাদের নিজের মুখে আমরা যা শুনেছি, তদন্তকারী কর্মকর্তাদের কাছে তারা যা বলেছেন; তারা মরদেহকে অনেক খণ্ড-বিখণ্ড করেছে। সেগুলো কোথায় রেখেছে প্রথমে তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা যায়নি। বাংলাদেশের গোয়েন্দা বাহিনী এবং ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনী সেখানে গিয়েছিলো। যেগুলো উদ্ধার হয়েছে, সেগুলোর ডিএনএ পরীক্ষা করে সুনিশ্চিত হওয়া যাবে, এগুলো সংসদ সদস্য আনারের দেহাংশ কি না। 

[৭] ঝিনাইদহে বাবু নামের একজন আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মন্ত্রী বলেন, তদন্তটা শেষ হোক- অনেকেই হয়তো গ্রেপ্তার হতে পারেন। তদন্তের আগে মনে হয় এগুলো বলা ঠিক হবে না।

[৮.১] আনার হত্যার মূল আসামি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের বন্দি বিনিময় চুক্তি নেই। আবার খুনের ঘটনা কলকাতায়। সেক্ষেত্রে আসামিদের বিচার ভারতে নাকি বাংলাদেশে হবে- এ বিষয়ে আসাদুজ্জামান খান বলেন, দুটি মামলা হয়েছে। যেখানে ঘটনা ঘটেছে সেখানে একটি মামলা হয়েছে। সেটা হতেই হবে। সংসদ সদস্যের মেয়ে ঢাকায় একটি মামলা করেছেন। কাজেই এ ঘটনাগুলোতে দুই দেশই সম্পৃক্ত। আমাদের দেশে যে অংশটুকু সেই অংশটুকুর বিচার অবশ্যই হবে। হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে যে দেশে, সে দেশের আইন অনুযায়ী সেখানে বিচার হবে।

[৮.২] যেহেতু ভারতে ঘটনাটি ঘটেছে ফলে আসামিকে ফেরত আনা বা বন্দি করার দায়িত্ব সেদেশেরই। যতটা জানি ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বন্দিবিনিময় চুক্তি আছে। সেক্ষেত্রে সে সুবিধাটা ভারত সরকার মনে হয় পাবে। ভারত বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতীম দেশ, সব কাজে তারা আমাদের সহযোগিতা করছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব

এটি/এসবি/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়