শিরোনাম

প্রকাশিত : ১৭ এপ্রিল, ২০২৪, ০৫:৩২ সকাল
আপডেট : ১৭ এপ্রিল, ২০২৪, ০৭:১৭ বিকাল

প্রতিবেদক : সালেহ্ বিপ্লব

গ্যাস পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বিদ্যুতে ঘাটতি

তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকলে সন্ধ্যায় লোডশেডিং বাড়তে পারে

সালেহ্ বিপ্লব: [২] গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও এখনো লোডশেডিংয়ের মাত্রা কমেনি। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পেট্রোবাংলার দাপ্তরিক তথ্যে দেখা যায়, সোমবার গ্যাস সরবরাহ ২ হাজার ৩৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে মঙ্গলবার ২১০ মিলিয়ন ঘনফুট বেড়ে ২ হাজার ৫৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট হয়েছে। 

[২.১] অন্যদিকে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) তথ্যে দেখা যায়, বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে শুরু করে সরবরাহ পর্যন্ত ঘাটতি থাকায় দেশে ব্যাপক লোডশেডিং হচ্ছে। ইউএনবি

[৩] বিদ্যুৎকেন্দ্রের গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে এখনো প্রায় এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের বিশাল ঘাটতি রয়ে গেছে, যার ফলে বেশ কয়েকটি গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে।

[৪] সরকারি সূত্র জানায়, শেভরন পরিচালিত বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রটি ১২০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের পূর্ণ উৎপাদন ক্ষমতায় ফিরে এসেছে। কিন্তু পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরলেও মাত্র ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করে।

[৫] শেভরনের এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা এখন ১২০০ মিলিয়ন ঘনফুট  গ্যাস সরবরাহ করতে সক্ষম। কিন্তু সরকার বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে পুরো সরবরাহ পাচ্ছে না। সেকারণেই ক্ষেত্রটি ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করছে।

[৫.১] পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারাও বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে পুরো সরবরাহ পাচ্ছেন না বলে স্বীকার করে বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ বলেছে তাদের আর গ্যাসের প্রয়োজন নেই।

[৬] কর্মকর্তারা জানান, দেশের সর্ববৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা গত ৩ এপ্রিল তিন দিনের রুটিন রক্ষণাবেক্ষণ প্রক্রিয়ায় যায় এবং যথাসময়ে উৎপাদনে ফিরে আসে।

[৬.১] তারা বলেন, মহেশখালীর দুটি এলএনজি টার্মিনালের ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট  সক্ষমতার বিপরীতে ৯৭২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে আমদানি করা এলএনজির সরবরাহও বেড়েছে।

[৭] তথ্য বলছে, মঙ্গলবার বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১৩ হাজার মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যায় বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১৫ হাজার মেগাওয়াট।

[৭.১] মঙ্গলবার সকাল ১০টায় দিনের সর্বোচ্চ লোডশেডিং হয়েছে ৫০১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। কারণ এসময় দেশে ১২ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন হচ্ছিল ১২ হাজার ২৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

[৮] কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন যে তাপপ্রবাহ অপরিবর্তিত থাকলে সন্ধ্যার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে লোডশেডিংয়ের মাত্রা বাড়তে পারে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়