শিরোনাম
◈ আজ আঘাত হানতে পারে রেমাল: জ্বলোচ্ছাসের ঝুঁকিতে সাতক্ষীরা খুলনা বাগেরহাট ◈ ঘূর্ণিঝড়ের কারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা স্থগিত ◈ ঠাকুরগাঁওয়ে ‘স্বর্ণের সন্ধান পাওয়া’সেই ইটভাটায় ১৪৪ ধারা জারি ◈ গুজরাটে গেমিং জোনে ভয়াবহ আগুন, নিহত ২৭ ◈ বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে বিপুল সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন হু’র মহাপরিচালক ◈ শেষ টি-টুয়েন্টিতে যুক্তরাষ্ট্রকে ১০ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ ◈ ঘূর্ণিঝড় রেমাল: মোংলা-পায়রায় ৭ নম্বর সংকেত ◈ বেনজীর আহমেদের সম্পদ জব্দের প্রক্রিয়া শুরু ◈ গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় রেমালে পরিণত: বিডব্লিউওটি ◈ উপকূলীয় এলাকায় লঞ্চ চলাচল বন্ধের নির্দেশ

প্রকাশিত : ১১ এপ্রিল, ২০২৪, ১২:৫৯ দুপুর
আপডেট : ১৭ এপ্রিল, ২০২৪, ০৮:০৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গরুর মাংস আমদানি নিয়ে বিরোধ, যা বলছে খামারিরা

ঝুম বিশ্বাস: [২] কোরবানির ঈদের আগে ব্রাজিল থেকে গরু আমদানি করতে চায় বাংলাদেশ সরকার। সম্প্রতি ব্রাজিলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাউরো ভিয়েরার ঢাকা সফরে এ বিষয় আলোচনায় আসে।

[২] ব্রাজিল দিতে চায় গরুর মাংস আর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চায় জীবন্ত গরু আমদানি করতে। কিন্তু এর কোনোটাই চাচ্ছে না প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। দেশে প্রাণিজ আমিষ জোগানের দায়িত্বে রয়েছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। আরটিভি, প্রথম আলো  

[৩] সরকারি প্রতিষ্ঠানটি বলছে, দেশে গরুর মাংসের চাহিদার চেয়ে জোগান বেশি। তাই আমদানির প্রয়োজন নেই।

[৪] খামারিরা বলছেন, গরুর মাংসের দাম বেশি কারণ গো-খাদ্যের দাম বেশি। সরকারের উচিত গো-খাদ্যের দাম কমানোর ব্যবস্থা করা। তাহলে দেশেও সস্তায় মাংস উৎপাদন সম্ভব হবে।

[৫] এদিকে ব্রাজিল থেকে গরুর মাংস কিংবা জীবন্ত গরু আমদানি হতে পারে। এমন খবরে কপালে চিন্তার রেখা প্রান্তিক খামারিদের। তারা বলছেন, অনেক যুবক পড়াশোনা শেষে উদ্যোক্তা হয়েছেন। ডেইরি শিল্পে এসেছেন। গরু পালন করছেন। মাংস উৎপাদন করছেন। যদি বাইরে থেকে মাংস আমদানি করা হয়, তাহলে প্রান্তিক খামারিরা ধ্বংস হয়ে যাবে।

[৬] গরু ও গরুর মাংস আমদানির বিষয়ে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরকে কিছুই জানায়নি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এমন দাবি প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক রেয়াজুল হকের।

[৭] তিনি গণমাধ্যমকে জানান, বাংলাদেশ গরুর মাংস উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। প্রতি কুরবানির ঈদে অবিক্রিত থাকে কয়েক লাখ গরু। তিনি আরও বলেন, গত কুরবানিতে ২০ লাখ বড় পশু অবিক্রিত থাকে। এক্ষেত্রে লুকানোর কিছু নেই। আমদানির সুযোগ নেই।

[৮] প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে কুরবানির প্রাণির চাহিদা ছিল ১ কোটি ৪ লাখ, বিপরীতে জোগান ছিল ১ কোটি ২৫ লাখ। একই কথা বলছে বাংলাদেশ ডেইরি ফারমার্স এসোসিয়েশনও। সংগঠনটির সভাপতির আহ্বান, গো-মাংস আমদানির মতো সিদ্ধান্ত না নিয়ে, সরকারের সস্তায় গো-খাদ্য সরবরাহের দিকে নজর দেয়া উচিত।

[৯] ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) হিসাব অনুযায়ী, ২০১৪ সালে রাজধানীর বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংসের দাম ছিল গড়ে ৩০০ টাকা।

[১০] ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মঙ্গলবারের হিসাব অনুযায়ী, ঢাকার বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হয়েছে ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকায়। ২০১৪ সালের তুলনায় এখন গরুর মাংসের দাম এখন ১৫০ শতাংশের বেশি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়