শিরোনাম
◈ এআই ক্যামেরার পর ঢাকার যানজট নিয়ন্ত্রণে আসছে ড্রোন ◈ পর্যটকশূন্য সেন্টমার্টিনে নীরব দুর্ভিক্ষ, আয়-রোজগার হারাচ্ছেন দ্বীপবাসী ◈ হৃদয়ের ট্রিপল শত‌কে ভর ক‌রে দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকার স‌ঙ্গে ড্র করলো বাংলাদেশ এ' দল ◈ লিড টাইমে পিছিয়ে বাংলাদেশ, পোশাকের কার্যাদেশে এগিয়ে যাচ্ছে ভারত ◈ এশিয়ান গেমসের বাংলা‌দেশ দল ঘোষণা, নেই নাহিদ রানা ও তাসকিন আহ‌মেদ ◈ সাত পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত ◈ গুম প্রতিরোধ আইন ২০২৫-এর অধ্যাদেশের চেয়ে শক্তিশালী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ নতুন দায়িত্ব পেলেন আমানউল্লাহ আমান ◈ যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ভিসা বন্ড সহজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির, বাড়াতে চান বাণিজ্য-সহযোগিতা ◈ শরীর-মন সতেজ করতে ইউরোপের ১১ স্পা শহর ও বিলাসবহুল ওয়েলনেস গন্তব্য: কী আছে, কেন এত আকর্ষণীয়

প্রকাশিত : ১০ মার্চ, ২০২৩, ০১:১৫ রাত
আপডেট : ১০ মার্চ, ২০২৩, ০১:১৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চিরবিদায় নিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব সভাপতি জামি

রিয়াজ উদ্দিন জামি

তৌহিদুর রহমান নিটল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: চোখের জলে ও হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসায় চিরবিদায় নিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব সভাপতি ও চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার রিয়াজ উদ্দিন জামি। বৃহস্পতিবার বাদ মাগরিব ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের টেংকেরপাড় মাঠে রিয়াজ উদ্দিন জামির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। 

জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আল মামুন সরকার, পুলিশ সুপার মো. শাখাওয়াত হোসেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জানাজায় অংশগ্রহণ করেন। জানাজা শেষে শেরপুর কবরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়।

 দুপুরে ভারতের আগরতলা দিয়ে আখাউড়া স্থলবন্দর হয়ে দেশে আনা হয় রিয়াজ উদ্দিন জামির কফিনবন্দি মরদেহ। এর আগে আগরতলা প্রেসক্লাব চত্বরে তাঁর কফিনে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়।

জামির মরদেহ দেশে আসামাত্রই এক হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। স্বজন, সহকর্মীসহ সবার বুকফাঁটা আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারি হয়ে উঠে। পরে তাঁর মরদেহ নিজ বাড়ি শহরের কালাইশ্রীপাড়ার বাসভবনে আনা হয়। সেখানে তাঁকে এক নজর দেখতে শোকার্ত মানুষের ঢল নামে। পরে তাঁর মরদেহ দীর্ঘদিনের কর্মস্থল ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর সহকর্মীরা কফিনে শেষ ফুলেল শ্রদ্ধা জানান।

রিয়াজ উদ্দিন জামি ১৯৭৪ সালের ৩০ জুন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা অধ্যাপক আব্দুস সাহিদ ও মা ফাতেমা বেগম। ছাত্রাবস্থায় ১৯৯৩ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সেই সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হন। তিনি চ্যানেল টোয়েন্টিফোর, দৈনিক জনকণ্ঠে কাজ করতেন। এ ছাড়া তিনি একুশে টেলিভিশন, এনটিভি, আরটিভি, বাংলাদেশ বেতারেও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এমএএস/প্রতিনিধি

  • সর্বশেষ