শিরোনাম
◈ তেল-গ্যাসে মধ্যপ্রাচ্যের ওপর বাংলাদেশের নির্ভরতা কতটা ◈ যুদ্ধবিরতিতে রাজি ইরান, সামনে তিন শর্ত ◈ উত্তর ইসরায়েলে তীব্র হামলা: ইরান-হিজবুল্লাহর ১০০ রকেট নিক্ষেপের দাবি ◈ রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি চেয়েছে বাংলাদেশ ◈ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় র‌্যাবের ওপর হামলা ◈ নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন কে? নানা আলোচনা ◈ স্বাভাবিক হয়নি ভোজ্যতেলের বাজার ◈ সিঙ্গাপুর থেকে জ্বালানি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ‘লিয়ান হুয়ান হু’ ◈ সহ আ‌য়োজক যুক্তরা‌স্ট্রে ইরান বিশ্বকাপ খেলবে না, জানালেন ক্রীড়ামন্ত্রী ◈ বিদ্যুৎ–জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ব্যাংকের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি

প্রকাশিত : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০৪:৪৯ সকাল
আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০৪:৪৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দুঃস্বপ্ন হতে পারে বড় চিন্তার কারণ, জানাল গবেষণা

প্রতীকী ছবি

লাইফস্টাইল ডেস্ক: ঘুমের মধ্যে শুভ ও অশুভ স্বপ্ন প্রায় অনেকেই দেখে থাকেন। স্বপ্ন দেখাকে একটি স্বাভাবিক ক্রিয়া হিসেবে মনে করা হয়। তবে স্বপ্ন শাস্ত্র অনুসারে, সব স্বপ্নের পেছনেই কোনো না কোনো ইঙ্গিত লুকিয়ে থাকে। এবার গবেষকরা জানালেন, বার বার দুঃস্বপ্ন দেখার প্রবণতা হতে পারে বড় চিন্তার কারণ।

ইংল্যান্ডের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানিয়েছেন, ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়সী ব্যক্তিরা বার বার দুঃস্বপ্ন দেখলে ভবিষ্যতে তাদের ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশের সমস্যা দেখা দেয়ার আশঙ্কা থাকে।

গবেষণাটি ‘ই ক্লিনিক্যাল মেডিসিন’ নামের একটি বিজ্ঞানপত্রে প্রকাশ হয়েছে। দুই ধাপে ভাগ করে এই গবেষণা চালানো হয়। প্রথম ধাপে ৩৫ থেকে ৫৪ বছর বয়সী ৬০৫ জনকে দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে পরীক্ষা করেন গবেষকরা। পরীক্ষা শুরুর আগে তাদের কারো ডিমেনশিয়া ছিল না। আর দ্বিতীয় ধাপে ৮০ বছরের বেশি বয়সী ২ হাজার ৬০০ জনকে পাঁচ বছর ধরে পরীক্ষা করা হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, মধ্য বয়সে যারা সপ্তাহে অন্তত দু’বার খারাপ স্বপ্ন দেখেছেন তাদের মস্তিষ্কের সক্ষমতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা প্রায় চার গুণ। অন্যদিকে ৮০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে যারা কোনো রকম দুঃস্বপ্ন দেখেন না, তাদের তুলনায় যারা নিয়মিত দুঃস্বপ্ন দেখেন, তাদের ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় দ্বিগুণ।

এ গবেষণা থেকে বিজ্ঞানীদের ধারণা, দুঃস্বপ্ন দেখার সঙ্গে স্নায়ুকোষের অবক্ষয়ের কোনো না কোনো সম্পর্ক রয়েছে। তবে সেই সম্পর্কটি ঠিক কী, তা নিয়ে আরও বিস্তারিত গবেষণা প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন তারা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়