চিনির স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে অনেক স্বাস্থ্যসচেতন মানুষই এখন বিকল্প হিসেবে মধু বা গুড় বেছে নিচ্ছেন। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, মধু বা গুড় আদতে চিনির সম্পূর্ণ নিরাপদ বিকল্প নয়।
যদিও মধুতে সামান্য অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও পুষ্টি উপাদান থাকে যা চিনিতে নেই, তবে এর পরিমাণ অত্যন্ত নগণ্য। মধুতে সবচেয়ে বেশি যা থাকে তা হলো শর্করা। এমনকি গবেষণায় দেখা গেছে, মধুতে চিনির চেয়েও ক্যালরির মাত্রা কিছুটা বেশি।
চিনির মতো মধুও রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সমানভাবে ক্ষতিকর হতে পারে।
একই কথা খাটে গুড়ের ক্ষেত্রেও। আখের বা খেজুরের গুড় স্বাদে চমৎকার হলেও এতে ক্যালরির মাত্রা চিনির প্রায় কাছাকাছি। এটিও রক্তে শর্করার মাত্রা বেশ দ্রুত বৃদ্ধি করে।
পুষ্টিবিদরা বলছেন, চিনি, মধু, গুড় কিংবা কৃত্রিম চিনি—সবই অতিরিক্ত গ্রহণে স্থূলতা, হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। সুস্থ থাকার আসল উপায় হলো মিষ্টি স্বাদের অভ্যাস ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা।
হুট করে চিনি ছাড়া কষ্টকর হলে ফলের মিষ্টতা কিংবা আঁশযুক্ত খাবার যেমন—লাল চাল, লাল আটা বা ওটসের ওপর নির্ভর করা শরীরের জন্য দীর্ঘমেয়াদে উপকারী।