শিরোনাম
◈ বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য ভিসা বন্ধ করল আরব আমিরাত ◈ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সাথে সেনাবাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাত ◈ এ সংঘর্ষ কোনভাবেই কাম্য নয়, দোষীদের বিচারের দাবি করছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়াতে দলীয় নেতা-কর্মী ও বিত্তবানদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ◈ ৬ দিন বন্ধের পর ফের চালু ইন্টারনেট ◈ বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মীর নাশকতার ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার তথ্য মিলেছে: ডিবির হারুন ◈ চট্টগ্রাম এবং বরিশালে স্বল্প পরিসরে যাত্রীবাহী বাস চলাচল শুরু ◈ বুধবার থেকে খোলা থাকবে অফিস আদালত: জনপ্রশাসনমন্ত্রী  ◈ নরসিংদীতে জেল পালানো কয়েদি আত্মসমর্পণের জন্য জড়ো হয়েছেন প্রায় একশোর মত

প্রকাশিত : ০৩ জুলাই, ২০২৪, ০৮:৫৯ সকাল
আপডেট : ০৩ জুলাই, ২০২৪, ০৯:৪৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মহানবীর কাছে যে প্রশ্নের উত্তর পেয়ে ইহুদি পাদরি মুসলমান হয়েছেন

ইস্রাফিল ফকির: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করতে এলেন, তখন মদিনার লোকজন দলে দলে রাসূল সা.-কে দেখতে আসছিল তাদের সাথে একজন ইহুদি ধর্ম গুরু রাবাই এলেন। মুহাম্মদ সা.-ই ইহুদিদের ধর্মগ্রন্থে বর্ণিত শেষ নবী কি না তা যাচাই করতে ইহুদি পাদরি রাসূল সা.-কে কয়েকটি প্রশ্ন করলেন এবং সে প্রশ্নের উত্তর পেয়ে মুসলমান হয়েছেন। 

তিনি ছিলেন হজরত ইয়াকুব ইবনে ইউসুফ আ.-এর বংশধর হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। তিনি ইহুদি ধর্মের গ্রন্থ সম্পর্কে ভালোভাবে জানতেন। সেখানে বর্ণিত শেষ নবীর আলামত সম্পর্কে জানেছেন।

তিনি রাসূলুল্লাহ সা.-এর নূরানী চেহারা দেখেই অনুভব করতে পেরে ছিলেন যে, সত্যিই ইনিই আল্লাহর প্রেরিত শেষ নবী। রাসূলুল্লাহ সা. তখন উপস্থিত নও-মুসলিমদের মাঝে ইসলামের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করছিলেন। সেদিন রাসূল সা.-এর কথা শুনে কোনো প্রশ্ন না করেই চলে গেলেন হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম রা.। 

দ্বিতীয় দিন রাসূলুল্লাহ সা.-এর কাছে উপস্থিত হয়ে তার সাথে কিছুক্ষণ একান্ত আলোচনাকালে তাকে এমন কিছু প্রশ্ন করলেন, যার উত্তর নবী ছাড়া অন্য কারো পক্ষে দেয়া সম্ভব নয়। 

এ বিষয়ে হজরত আনাস রা. থেকে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবনে সালাম রা. নবী সা.-এর কাছে এসে বললেন, আমি আপনাকে তিনটি প্রশ্ন করছি। এগুলোর ঠিক উত্তর নবী ছাড়া অন্য কেউ জানে না। প্রশ্নগুলো হলো—

১. কিয়ামতের সর্বপ্রথম আলামত কী?
২. জান্নাতবাসীদের সর্বপ্রথম কী খাবার দেওয়া হবে? 
৩. কী কারণে সন্তান আকৃতিতে কখনো পিতার মতো, কখনো মায়ের মতো হয়?

নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এ বিষয়গুলো সম্পর্কে এই মাত্র জিবরাইল আলাইহিস সালাম আমাকে জানিয়ে গেলেন। এর উত্তর হলো—

১. কিয়ামত নিকটবর্তী হওয়ার সর্বপ্রথম আলামত লেলিহান অগ্নি যা মানুষকে পূর্বদিক হতে পশ্চিম দিকে ধাবিত করে নিয়ে যাবে এবং সবাইকে একত্র করবে।

২. সর্বপ্রথম খাদ্য যা জান্নাতবাসী খাবে তা হলো মাছের কলিজার বাড়তি অংশ।

৩. যদি নারীর আগে পুরুষের বীর্যপাত ঘটে তবে সন্তান পিতার মতো হয়। আর যদি পুরুষের আগে নারীর বীর্যপাত ঘটে তবে সন্তান মায়ের মতো হয়। আবদুল্লাহ ইবনে সালাম রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই এবং নিশ্চয়ই আপনি আল্লাহর রাসুল। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৭৩৪৮)

আইএফ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়