শিরোনাম
◈ কাকে ভোট দেওয়া উচিত, জানালেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ◈ বিনিয়োগ স্থবিরতা ও রাজস্ব ঘাটতি: নতুন সরকারের সামনে বড় আর্থিক চ্যালেঞ্জ ◈ বাংলাদেশে হঠাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ কমাল ভারত, শীতে লোডশেডিং ও গরমে বড় সংকটের আশঙ্কা ◈ পাসপোর্ট কেড়ে নিয়ে জোরপূর্বক চুক্তি, মিয়ানমার থেকে ফেরা বাংলাদেশিদের লোমহর্ষক বর্ণনা ◈ এবারও ভোট নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তারেক রহমান (ভিডিও) ◈ শুক্রবার বি‌পিএ‌লের ফাইনা‌লে চট্টগ্রাম রয়‌্যালস ও রাজশাহী ওয়া‌রিয়র্স মু‌খোমু‌খি ◈ এবার ওষুধ আমদানিতে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করলেন আফগান ব্যবসায়ীরা! ◈ নির্বাচনে ৪৫ ঋণখেলাপি, কেবলই আইনের মারপ্যাঁচ, না ক্ষমতার অপব্যবহার: প্রশ্ন বিশেষজ্ঞ-অর্থনীতিবিদদের ◈ শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দেয়ার প্রসঙ্গে যা বলল জাতিসংঘ ◈ নির্বাচনী জনসংযোগে টুপি,ঘোমটা দিলে কি ভোট বেশি পাওয়া যায়?

প্রকাশিত : ০৫ মার্চ, ২০২৩, ০২:২৬ দুপুর
আপডেট : ০৫ মার্চ, ২০২৩, ০২:২৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গরিব দেশগুলোর টুটি চেপে ধরছে ধনী দেশ ও জ্বালানি কোম্পানিগুলো: জাতিসংঘ মহাসচিব 

আন্তোনিও গুতেরেস

সাজ্জাদুল ইসলাম: জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, সর্বগ্রাসী সুদহার ও পঙ্গু করে দেওয়ার মতো জ্বালানির দাম নির্ধারণ করে গরিব দেশগুলোর ‘টুঁটি চেপে ধরেছে’ জ্বালানি কোম্পানি এবং ধনী দেশগুলো। কাতারের দোহায় স্বল্পোন্নত দেশগুলোর পঞ্চম সম্মেলনে উপস্থিত নেতাদের সামনে বক্তৃতাকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। আল-জাজিরা

রোববার শুরু হচ্ছে এই সম্মেলন। এতে ৪০টিরও বেশি স্বল্পেন্নোত দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান অংশ নিচ্ছেন। এর আগে গত শনিবার উপস্থিত নেতাদের সামনে গুতেরেস বলেন, দুষ্টুচক্রে আটকা পড়া গরিব দেশগুলোর জন্য ধনী দেশগুলোর প্রতি বছর ৫০ হাজার কোটি ডলার সাহায্য দেয়া উচিৎ। এ সময় তিনি বলেন, বর্তমান যে বিশ্বব্যবস্থা বা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সেটা ধনী দেশগুলোর তৈরি। ধনী দেশগুলোন স্বার্থেই এ ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে।

করোনা মহামারির কারণে ২০২১ সালে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) এই সম্মেলন স্থগিত হয়। এবার এলডিসিভুক্ত ৪৬ দেশের মধ্যে সম্মেলনে অংশ নিয়েছে ৪৪টি দেশ। এবারের সম্মেলনে নেই দুই দেশ মিয়ানমার ও আফগানিস্তান। কারণ এ দেশ দু’টির সরকারকে জাতিসংঘ এখনো স্বীকৃতি দেয়নি। এ ছাড়া বৃহৎ অর্থনীতির কোনো দেশ সম্মেলনে অংশ নেয়নি।

শনিবার স্বল্পোন্নত দেশের নেতাদের সম্মেলনে গুতেরেস গরিব দেশগুলোর সঙ্গে ধনী দেশগুলো যা করছে তার কঠোর সমালোচনা করে বলেন, (গরিব) দেশগুলো যখন সীমিত সম্পদের সংকটে, ঋণের দায়ে জর্জরিত ও এখনো করোনা মহামারির কারণে ইতিহাসের সবচেয়ে বৈষম্যের ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে, তখন এসব দেশের পক্ষে অর্থনৈতিক উন্নয়ন অনেক চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বল্পোন্নত দেশগুলোর অভিযোগ, করোনাভাইরাস টিকা ন্যায্যভাবে বণ্টন করা হয়নি। মূলত ইউরোপ ও আমেরিকা টিকা পেয়েছে। বঞ্চিত হয়েছে গরিব দেশগুলো।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট বিপর্যয়ের বিষয়টি উল্লেখ করে গুতেরেস বলেন, কোনো কিছু না করেও দরিদ্র দেশগুলোর সামনে নানামুখী চ্যালেঞ্জ হাজির হয়েছে। এতে করে এসব দেশের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। অথচ এর ক্ষতিপূরণ হিসেবে সামান্য তহবিলই পাচ্ছে তারা। এই তহবিল একটি বালতিতে এক ফোঁটা পানি দেয়ার মতো। বৃহৎ জ্বালানি কোম্পানিগুলো যখন বিপুল মুনাফা করছে তখন দরিদ্র দেশগুলোর মানুষদের পাতে এক বেলা খাবার জোটানো দুঃসহ হয়ে উঠেছে।

এসআই/একে 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়