শিরোনাম
◈ ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য: প্রধানমন্ত্রী ◈ চীনের সঙ্গে সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তির পথে ইরান ◈ রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ◈ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পেতে বেআইনি লেনদেন নিয়ে কঠোর বার্তা ◈ মুক্তিপণ দাবির পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নিরাপদে ফিরল স্কুল শিক্ষার্থী আফফান ◈ ৫০ বছর ধরে মসজিদে নববীতে কোরআন পড়ানো শিক্ষকের ইন্তেকাল ◈ ব্যাংকিং খাতে ঋণ জালিয়াতিতে কমেছে বিনিয়োগ পরিবেশ ও আর্থিক স্থিতিশীলতা ◈ ঈদের আগে বেতন দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ঋণ চায় বিজিএমইএ  ◈ সিডনিতে নারী ফুটবলার‌দের প্রশিক্ষ‌ণে ত্রু‌টি খুঁজে পাচ্ছেন না ‌কোচ পিটার বাটলার  ◈ মন্ত্রিপরিষদ শপথ অনুষ্ঠানে কী হয়েছিল? জানালেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৫ নভেম্বর, ২০২২, ১২:৫২ দুপুর
আপডেট : ২৫ নভেম্বর, ২০২২, ০৫:০৭ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আফগানিস্তানে ভয়াবহ খাদ্য সঙ্কট

হ খাদ্য সঙ্কট আফগানিস্তানে

ইমরুল শাহেদ: খাবারের পরিবর্তে শিশুদের ওষুধ খাইয়ে ঘুম পাড়ানো হচ্ছে। তালিবান আফগানিস্তানে ক্ষমতা দখলের পরেই দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলো হাত গুটিয়ে নেয়।  যার ফলে লাখ লাখ পরিবার দারিদ্র্যের মুখে পড়েছে। এমনকি চাকরি হারিয়েছে হাজার হাজার মানুষ। অর্থনীতিতে ধুঁকতে থাকা দেশটিতে নেমে এসেছে ঘোর দুর্দশা। তদুপরি ভূমিকম্প এবং বন্যা দেশটিকে আরো সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে। এখন সেই সংকট দেখা দিয়েছে পাকিস্তানেও। পাকিস্তানের উপর অনেকটা নির্ভরশীল ছিল আফগানিস্তান। সেখান তাদের কোনো সহযোগিতা পাওয়ার পরিস্থিতি নেই। এরই মধ্যে দেশটির ভয়াবহ চিত্র বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের খবরে উঠে এসেছে। আজকাল, ডব্লিএফপি

বিশ্ব খাদ্য প্রোগ্রামের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানে গত ২০ বছরেও এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়নি। দেশটিতে দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে তাদের জন্য একমাত্র ভরসা বিশ্ব খাদ্য সংস্থাই। 

বৃহস্পতিবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফগানরা তাদের ক্ষুধার্ত শিশুদের ওষুধ খাইয়ে ঘুম পাড়াচ্ছেন। এছাড়া অনেকেই বেঁচে থাকার জন্য বিভিন্ন অঙ্গ, এমনকি তাদের কন্যাদেরকেও বিক্রি করছেন। 

এক আফগান নাগরিক জানান তাদের কাছে শিশুদের দেওয়ার মতো কোনও খাবার নেই। তাই তারা বাধ্য হয়ে ফার্মেসিতে যাচ্ছে, ট্যাবলেট নিচ্ছে আর শিশুদের খাওয়াচ্ছে। যাতে তারা ঘুমিয়ে পড়ে। বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বেশিরভাগ আফগান নাগরিকই প্রতিদিন শুধু খাবারের জন্য কয়েক টুকরো রুটি ভাগাভাগি করেন।

বিশ্ব খাদ্য প্রোগ্রাম বলেছে, মাসিক খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তা দিতে জরুরি ভিত্তিতে ১.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন। আগামী ছয় মাস ১৮ মিলিয়ন আফগান তীব্র খাদ্য সংকটে থাকবে। তার মধ্যে ছয় মিলিয়ন আফগান দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে শীত কালের জন্য ১৫০,০০০ মেট্রিক টন খাদ্য মজুদ, যার জন্য ব্যয় হবে ১৭২ মিলিয়ন ডলার। 

আইএস/এইচএ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়