শিরোনাম
◈ ঈদে চন্দ্রা টার্মিনালে ঘরমুখী মানুষের চাপ, ১০ কিমি দীর্ঘ যানজট ◈ শিলাবৃষ্টি ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ না ফেরার দেশে অভিনেতা শামস সুমন ◈ ইরান-ইসরাইল-মার্কিন যুদ্ধে ভারতের ওপর ৫০ বিলিয়ন ডলারের ধাক্কা ◈ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে বরফ গলছে! ◈ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নাকচ, কঠোর অবস্থানে মোজতবা খামেনি ◈ এক দশকে বাংলাদেশের অর্ধেক তরুণ চাকরি পাননি: বিশ্বব্যাংক ◈ নববর্ষে চালু হচ্ছে কৃষক কার্ড, প্রথম ধাপে ২১ হাজার কৃষক পাচ্ছেন সহায়তা ◈ ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা লারিজানিকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের ◈ মশক নিধনে ঢাকার দুই সিটিকে কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দেশীয় প্রযুক্তিতে জোর

প্রকাশিত : ২৫ নভেম্বর, ২০২২, ১২:৫২ দুপুর
আপডেট : ২৫ নভেম্বর, ২০২২, ০৫:০৭ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আফগানিস্তানে ভয়াবহ খাদ্য সঙ্কট

হ খাদ্য সঙ্কট আফগানিস্তানে

ইমরুল শাহেদ: খাবারের পরিবর্তে শিশুদের ওষুধ খাইয়ে ঘুম পাড়ানো হচ্ছে। তালিবান আফগানিস্তানে ক্ষমতা দখলের পরেই দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলো হাত গুটিয়ে নেয়।  যার ফলে লাখ লাখ পরিবার দারিদ্র্যের মুখে পড়েছে। এমনকি চাকরি হারিয়েছে হাজার হাজার মানুষ। অর্থনীতিতে ধুঁকতে থাকা দেশটিতে নেমে এসেছে ঘোর দুর্দশা। তদুপরি ভূমিকম্প এবং বন্যা দেশটিকে আরো সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে। এখন সেই সংকট দেখা দিয়েছে পাকিস্তানেও। পাকিস্তানের উপর অনেকটা নির্ভরশীল ছিল আফগানিস্তান। সেখান তাদের কোনো সহযোগিতা পাওয়ার পরিস্থিতি নেই। এরই মধ্যে দেশটির ভয়াবহ চিত্র বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের খবরে উঠে এসেছে। আজকাল, ডব্লিএফপি

বিশ্ব খাদ্য প্রোগ্রামের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানে গত ২০ বছরেও এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়নি। দেশটিতে দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে তাদের জন্য একমাত্র ভরসা বিশ্ব খাদ্য সংস্থাই। 

বৃহস্পতিবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফগানরা তাদের ক্ষুধার্ত শিশুদের ওষুধ খাইয়ে ঘুম পাড়াচ্ছেন। এছাড়া অনেকেই বেঁচে থাকার জন্য বিভিন্ন অঙ্গ, এমনকি তাদের কন্যাদেরকেও বিক্রি করছেন। 

এক আফগান নাগরিক জানান তাদের কাছে শিশুদের দেওয়ার মতো কোনও খাবার নেই। তাই তারা বাধ্য হয়ে ফার্মেসিতে যাচ্ছে, ট্যাবলেট নিচ্ছে আর শিশুদের খাওয়াচ্ছে। যাতে তারা ঘুমিয়ে পড়ে। বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বেশিরভাগ আফগান নাগরিকই প্রতিদিন শুধু খাবারের জন্য কয়েক টুকরো রুটি ভাগাভাগি করেন।

বিশ্ব খাদ্য প্রোগ্রাম বলেছে, মাসিক খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তা দিতে জরুরি ভিত্তিতে ১.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন। আগামী ছয় মাস ১৮ মিলিয়ন আফগান তীব্র খাদ্য সংকটে থাকবে। তার মধ্যে ছয় মিলিয়ন আফগান দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে শীত কালের জন্য ১৫০,০০০ মেট্রিক টন খাদ্য মজুদ, যার জন্য ব্যয় হবে ১৭২ মিলিয়ন ডলার। 

আইএস/এইচএ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়