শিরোনাম
◈ চীনের সমর্থন চায় বিএনপি: রোহিঙ্গা সংকট ও উন্নয়ন সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা ◈ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফিক্সিংয়ে ভারতের মাফিয়া গ্রুপ জড়িত! ◈ সংরক্ষিত আসনে যাওয়ার জন্য আমাকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল, আমি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে ফিরিয়ে দিয়েছি: তাসনিম জারা ◈ ডোনাল্ড ট্রাম্পের মানসিক সক্ষমতা ও মেজাজ নিয়ে মার্কিনিদের মধ্যেই তৈরি হয়েছে গভীর সংশয়! ◈ জামিন পেলেন দেড় মাসের সন্তানসহ কারাগারে যাওয়া সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রী ◈ তিন মাসে একবার পত্রিকার সম্পাদকদের সঙ্গে বসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র ৫২ দিনের মাথায় ব্যাংক থেকে ৪৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে: রুমিন ফারহানা ◈ উপজেলা পরিষদে এমপিরা পাচ্ছেন অফিস কক্ষ, জিও জারি ◈ দেশের মোট রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৮৭৩ দশমিক ৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার: অর্থমন্ত্রী ◈ জু‌নের দ্বিতীয় সপ্তা‌হে হ‌বে বিসিবির নির্বাচন!

প্রকাশিত : ০৫ অক্টোবর, ২০২২, ১১:৪৪ দুপুর
আপডেট : ০৫ অক্টোবর, ২০২২, ১১:৪৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইয়েমেন ও সৌদির মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ

রাশিদুল ইসলাম: ইয়েমেন এবং সৌদি আরব নতুন করে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে সম্মত না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক।

মঙ্গলবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, "দুই পক্ষ নতুন করে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে সম্মত হয়নি, তবে এখনো আলোচনা শেষ হয়ে যায়নি। দুই পক্ষ এখনও আলোচনা চালাচ্ছে যাতে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো যায় এবং এ ব্যাপারে মধ্যস্থতা করছেন ইয়েমেন বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি হ্যান্স গ্রান্ডবার্গ।

জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র ডুজারিক ইয়েমেন এবং সৌদি আরব- দু পক্ষকেই যেকোন ধরনের উসকানিমূলক তৎপরতা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সামান্য উসকানি থেকেই বড় রকমের সহিংসতা শুরু হতে পারে অথচ দু পক্ষই শান্তি চায়। 

ডুজারিক আরো বলেন, “যুদ্ধবিরতির মেয়াদ না বাড়ানোর কারণে জাতিসংঘ হতাশ হলেও আমরা বিশ্বাস করি যে, এখানেই রাস্তার প্রান্ত সীমা নয় বরং যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে সামনে আরো সময় রয়েছে।”

গত এপ্রিল মাসে সর্বপ্রথম জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ইয়েমেন এবং সৌদি আরবের মধ্যে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠিত হয় যার মেয়াদ জুন মাসে দ্বিতীয় দফায় বাড়ানো হয়। সর্বশেষ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ গত রোববার শেষ হয়ে গেছে। এখন যদি দ্রুতই নতুন করে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো না যায় তাহলে যেকোনো সময় সংঘাত শুরু হতে পারে যার প্রধান শিকার হবে দুই পক্ষের সাধারণ মানুষ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়