কানাডার টরন্টো পিয়ারসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ থেকে আসা তিন যাত্রীর লাগেজ থেকে মাংস, দুগ্ধজাত ও উদ্ভিজ্জ পণ্য জব্দ করেছে দেশটির সীমান্ত সংস্থা।
কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি (সিবিএসএ) জানিয়েছে, তাদের প্রশিক্ষিত তিন ল্যাব্রাডর কুকুর বাংলাদেশ থেকে আসা একটি ফ্লাইটের যাত্রীদের ব্যাগেজে এসব পণ্যের সন্ধান পায়। তারা একটি ছবিও প্রকাশ করেছে। এতে দেখা যায়, পণ্যগুলো টেবিলে সাজানো। আর যেসব কুকুর এগুলো খুঁজে বের করেছে। তারা সেগুলোর পাশে বসে আছে।
সংস্থাটি জানায়, জব্দ করা পণ্যের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের বিরুদ্ধে ১ হাজার ৩০০ কানাডিয়ান ডলার জরিমানাও করা হয়েছে। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় দেড় লাখ টাকার সমান। এর আগেও একই ধরনের অভিযানে আলোচনায় আসে গোয়েন্দা কুকুর ধারলা। দুই মাস আগে মিসর থেকে আসা এক যাত্রীর লাগেজে ২২ কেজি কাঁচা মাংস শনাক্ত করেছিল সে। তখন জব্দ হওয়া পণ্যের মধ্যে ছিল কাঁচা হাঁস, কবুতর, মুরগি ও খরগোশের মাংস।
সিবিএসএ জানিয়েছে, কাঁচা মাংসে প্রায়ই সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে, যা ডায়রিয়া, জ্বর ও পেটব্যথাসহ নানা সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি করে।
কানাডার আইন অনুযায়ী, দেশটিতে প্রবেশের সময় নাগরিক হোক বা বিদেশি- সব যাত্রীকেই খাদ্য, উদ্ভিদ ও প্রাণিজ পণ্য ঘোষণা করতে হয়। এর মধ্যে কাঁচা বা রান্না করা মাংস, দুধ, পনির, ডিম, মাছ, সামুদ্রিক খাদ্য ছাড়াও ফল, সবজি, বীজ, কাঠ, গাছপালা, মাটি ও বিভিন্ন ভেষজ উপাদানও রয়েছে। তথ্য সূত্র - টরন্টো সান।