পার্সটুডে: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক আগ্রাসনের দায়ভার তার প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ-এর ওপর চাপিয়ে দিয়েছেন।
স্থানীয় সময় সোমবার (২৩ মার্চ ২০২৬) টেনেসি অঙ্গরাজ্যের মেম্ফিসে ‘মেম্ফিস সেফ টাস্ক ফোর্স’-এর গোলটেবিল বৈঠকে ট্রাম্প পেন্টাগন প্রধানকে পাশে বসিয়ে ট্রাম্প বলেন, আমি পিটকে (হেগসেথ) কল করলাম, জেনারেল ড্যান কেইনকে কল করলাম। আমাদের অনেক মহান মানুষকে আমি কল করেছিলাম। বলেছিলাম, চলুন কথা বলি। মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের সমস্যা আছে। ইরান নামে এমন একটি দেশ আছে যারা ৪৭ বছর ধরে ‘সন্ত্রাসের মদতদাতা’ এবং তারা পারমাণবিক অস্ত্রের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। আমরা চাইলে মধ্যপ্রাচ্যে একটা ছোট সফর করে এই সমস্যাটি মিটিয়ে ফেলতে পারি।
হেগসেথের দিকে ফিরে ট্রাম্প আরও যোগ করেন- ‘পিট, আমার মনে হয় তুমিই প্রথম মুখ খুলেছিলে এবং বলেছিলে চলুন এটা করি, কারণ আপনি তাদের পারমাণবিক অস্ত্র হাতে পেতে দিতে পারেন না’।
বৈঠকে ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ অভিযানের অগ্রগতি নিয়ে কথা বলেন এবং কিছু পরিকল্পিত হামলা (বিশেষ করে বিদ্যুৎকেন্দ্রে) সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার ঘোষণা দেন। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান কখনোই পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না।
এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই যুদ্ধের বিষয়ে ট্রাম্পের চেয়ে কম উৎসাহী ছিলেন। ব্লুমবার্গের একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং রক্ষণশীল মিডিয়া মোগল রুপার্ট মারডক ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। অন্যদিকে ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং চিফ অফ স্টাফ সুজি ওয়াইলস এ বিষয়ে সন্দিহান ছিলেন।
গত সপ্তাহে ন্যাশনাল কাউন্টারটেররিজম সেন্টারের সাবেক প্রধান জো কেন্ট যুদ্ধ নিয়ে মতবিরোধের জেরে পদত্যাগ করার সময় দাবি করেছিলেন, ইসরায়েলই যুক্তরাষ্ট্রকে এই যুদ্ধে টেনে এনেছে।