আরব সাগরে এবার পরমাণুশক্তিচালিত সাবমেরিন মোতায়েন করল যুক্তরাজ্য। সঙ্গে রয়েছে দূরপাল্লার টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র।
ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এমনটিই দাবি করেছে।
শুক্রবারই ভারত মহাসাগরে ডিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপে ব্রিটিশ-মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে ইরান। ঘটনাচক্রে, তার পরের দিনই এই পারমাণবিক সাবমেরিন মোতায়েনের খবর প্রকাশ্যে এল।
ব্রিটিশ নৌসেনার এইচএমএস অ্যানসন সাবমেরিনটি আরব সাগরে মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সাবমেরিনটিতে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়াও রয়েছে বেশ কিছু শক্তিশালী টর্পেডো। ইরানের মিনাব শহরের প্রাথমিক স্কুলে যে ক্ষেপণাস্ত্রটি আছড়ে পড়েছিল, সেটিও ছিল টমাহক। ওই ক্ষেপণাস্ত্রের বিধ্বংসী ক্ষমতা ইতোমধ্যে গোটা বিশ্ব দেখেছে। এবার সেই ক্ষেপণাস্ত্র নিয়েই আরব সাগরে মোতায়েন হল যুক্তরাজ্যে এইচএমএস অ্যানসন। যদিও এই তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলেই জানিয়েছে রয়টার্স। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
দাবি করা হচ্ছে, পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণেই সাবমেরিনটিকে আরব সাগরে মোতায়েন করেছে ব্রিটেন। সংঘর্ষ আরও বৃদ্ধি পেলে এখান থেকে যেকোনও দূরপাল্লার নিশানায় আক্রমণ শানাতে পারবে তারা। অনুমান করা হচ্ছে, সেই কৌশলগত সুবিধার জন্যই সাবমেরিনটি পাঠানো হয়েছে আরব সাগরে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেশ কিছু টমাহক ব্লক-৪ ক্ষেপণাস্ত্র এবং স্পেয়ারফিশ টর্পেডো নিয়ে চলতি মাসের শুরুর দিকেই অস্ট্রেলিয়ার পার্থের উপকূল সংলগ্ন এলাকা ছেড়ে আরব সাগরের দিকে রওনা দেয় এইচএমএস অ্যানসন। প্রায় ৮,৮০০ কিলোমিটারের জলপথ পাড়ি দিয়ে সেই সাবমেরিনটি সম্প্রতি আরব সাগরে এসে পৌঁছেছে। সূত্র: রয়টার্স