শিরোনাম
◈ শেষ দিনে ফাঁকা স্টেশন, অর্ধেক যাত্রী নিয়ে ছেড়েছে ট্রেন ◈ ২৭ মার্চ গুয়াতেমালার বিপক্ষে শেষ প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ খেল‌বে আর্জেন্টিনা ◈ আজ সৌদিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর ◈ শুধু ট্রাম্পই বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারেন: জাপানের প্রধানমন্ত্রী ◈ ট্রাম্পের অনুরোধে ইরানের সাউথ পার্সে আর হামলা নয়: নেতানিয়াহু ◈ কাতারের এলএনজি স্থাপনায় ক্ষতি: বিদ্যুৎ সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশসহ তিন দেশ ◈ শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশে ভাষণের খবর সঠিক নয়: প্রেস উইং ◈ মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিরসনে আইএমও’র বিশেষ অধিবেশনে বাংলাদেশ ◈ ইসরায়েলের শোধনাগারে আগুন, ইরানের হামলায় জ্বালানি স্থাপনায় নতুন শঙ্কা ◈ হামলা-পাল্টা হামলায় কাঁপছে জ্বালানি বাজার, তেলের দাম ১১৫ ডলার ছাড়াল

প্রকাশিত : ২০ মার্চ, ২০২৬, ০৯:২৫ সকাল
আপডেট : ২০ মার্চ, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাশিয়ার ফুয়েল অয়েলে ঝুঁকছে এশিয়া, আমদানি ছুঁতে যাচ্ছে রেকর্ড উচ্চতা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবের মধ্যে রাশিয়া থেকে এশিয়ার ফুয়েল অয়েল আমদানি চলতি মাসে সর্বকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে যাচ্ছে। শিপিং ডেটা সরবরাহকারী কেপলার এবং এলএসইজি'র তথ্য অনুযায়ী, মোট আমদানির পরিমাণ ৩০ লাখ টন ছাড়িয়ে যেতে পারে, যা দৈনিক প্রায় ৬ লাখ ১৪ হাজার ৫০০ ব্যারেলের সমান।

যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় এই রেকর্ড পরিমাণ আমদানি হচ্ছে। তথ্য অনুযায়ী, মোট ৩০ লাখ টনের বেশি ফুয়েল অয়েলের অর্ধেকেরও বেশি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় যাচ্ছে, যার পরিমাণ ১৭ থেকে ১৯ লাখ টনের মধ্যে। বাকি অংশ যাচ্ছে চীনে, যার পরিমাণ আনুমানিক ১২ থেকে ১৫ লাখ টন।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার ফলে উচ্চ সালফারযুক্ত ফুয়েল অয়েল (এইচএসএফও)-এর ওপর প্রভাব বেশি পড়ছে। ভরটেক্সার জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক হ্যাভিয়ার টাং বলেন, "জ্বালানি তেলের প্রবাহে বিঘ্ন ঘটায় এইচএসএফও সরবরাহে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। কারণ ইরানের অবরোধের ফলে হরমুজ প্রণালিদিয়ে মাঝারি ও ভারী সালফারযুক্ত অপরিশোধিত তেল পরিবহনও কমে গেছে, যা সামগ্রিকভাবে তেলের বাজারকে আরও সংকুচিত করেছে।"

মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি রপ্তানিতে ব্যাঘাতের কারণে দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ভাসমান মজুদে থাকা রুশ অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞায় ছাড় দিয়েছে। এতে এশিয়ার জ্বালানি আমদানিকারক দেশগুলো দ্রুত সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, যদি মধ্যপ্রাচ্য থেকে রপ্তানি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকে, তাহলে রাশিয়ার ফুয়েল অয়েল এশিয়ার চাহিদা পূরণে যথেষ্ট হবে না।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে উৎপাদন কমে যাওয়ায় এবং সংরক্ষণ সক্ষমতা সীমায় পৌঁছানোর কারণে সব ধরনের জ্বালানির ক্ষেত্রেই ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তাত্ত্বিকভাবে উৎপাদক দেশগুলো অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াজাত করতে পারলেও—তা সংরক্ষণের জায়গা না থাকায় রিফাইনারিগুলো উৎপাদন কমাতে বাধ্য হচ্ছে।

জ্বালানি বাজার বিশ্লেষণা প্রতিষ্ঠান এনার্জি অ্যাসপেক্টস-এর বিশ্লেষক রয়স্টোন হুয়ান বলেন, "হরমুজ প্রণালি এখনো অবরুদ্ধ এবং অপরিশোধিত তেলের প্রাপ্যতা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। ফলে আগামী কয়েক সপ্তাহ বা মাসজুড়ে বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।"

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়