মুসলিম উম্মাহর জন্য আত্মশুদ্ধি, সংযম ও ইবাদতের এক অনন্য সময় হচ্ছে পবিত্র রমজান। আর ২০২৬ সালের রমজান শুরু হতে আর খুব বেশি দেরি নেই। জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝিতেই শুরু হতে পারে পবিত্র এই মাস। অর্থাৎ রমজান মাস থেকে আর মাত্র ৩৫-৩৬ দিন দূরে আছে মানুষ। তবে তা নির্ভর করছে চাঁদ দেখার ওপর। খবর গালফ নিউজ
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, দুবাইয়ের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাক্টিভিটিজ ডিপার্টমেন্ট (আইক্যাড)-এর হিজরি থেকে গ্রেগরিয়ান তারিখ রূপান্তর টুল অনুযায়ী, ২০২৬ সালের রমজান শুরু হতে পারে ১৭ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে। সম্ভাব্য প্রথম রোজা হতে পারে ১৮ ফেব্রুয়ারি। তবে চাঁদ দেখার পরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হবে।
ইসলামি বর্ষপঞ্জির নবম মাস রমজান। এ মাসে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা রাখা হয়, ইবাদতে মনোযোগ দেয়া হয় এবং দান-সদকা ও নেক আমলের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়। অন্যান্য হিজরি মাসের মতোই, রমজানের সূচনাও চাঁদ দেখার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়।
ইসলামের অন্যতম পবিত্র রাত লাইলাতুল কদর বা ‘শবে কদর’ রমজানের শেষ ১০ দিনের মধ্যে হয়ে থাকে। দুবাইয়ের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাক্টিভিটিজ ডিপার্টমেন্টের ২০২৬ সালের সরকারি ছুটি ও ধর্মীয় দিবসের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, শবে কদর হওয়ার সম্ভাব্য সময় আগামী ১৭ মার্চ মঙ্গলবার রাত।
এই রাতকে কোরআন নাজিলের স্মরণে বিশেষ ইবাদত, দোয়া ও ক্ষমা প্রার্থনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন সারা বিশ্বের মুসলমানরা।
আইক্যাডের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, রমজান শেষ হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ ১৯ মার্চ বৃহস্পতিবার। তবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে রমজান ২৯ অথবা ৩০ দিন স্থায়ী হতে পারে।
রমজান শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই উদযাপিত হয় ঈদুল ফিতর। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতর হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ ২০ মার্চ শুক্রবার। এর মধ্য দিয়ে দেশটিতে বছরের প্রথম লম্বা ছুটি শুরু হতে পারে।
আমিরাতে শাওয়াল মাসের প্রথম তিন দিন সরকারি ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। রমজান ২৯ না ৩০ দিন তার ওপর নির্ভর করে ঈদের ছুটির মেয়াদ আরও বাড়তে পারে।