কলকাতা হাইকোর্টে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) জানিয়েছে, চলমান অর্থপাচার তদন্ত ও প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট (আইপ্যাক) সম্পর্কিত কার্যক্রমে তাদের কার্যক্রমে বাধা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ইডি আরও জানায়, তারা আইপ্যাকের ১০টি স্থানের মধ্যে কলকাতার ৬টি এবং দিল্লির ৪টি অফিসে রেইড চালাচ্ছিল, তখন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী প্রাতীক জৈনের বাড়িতে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণপত্র ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে গেছেন।
ইডি জানিয়েছে, মমতা ব্যানার্জী রেইড চলাকালীন দক্ষিণ কলকাতা ডেপুটি কমিশনার ও সারানি থানার এক কর্মকর্তা নিয়ে উপস্থিত হন। পরবর্তীতে কলকাতা পুলিশের কমিশনারও একাধিক অফিসারের সঙ্গে এসে উপস্থিত হন। তবে কার্যক্রম শান্তিপূর্ণ ও পেশাদারিত্বপূর্ণভাবে পরিচালিত হচ্ছিল।
তবে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতির পর পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়। ইডি দাবি করেছে, মমতা ব্যানার্জী ও তার সহকর্মীরা আই-প্যাকের অফিস ও প্রাতীক জৈনের বাসভবন থেকে শারীরিক নথি ও ইলেকট্রনিক প্রমাণ জোরপূর্বক তুলে নিয়েছেন। এই ঘটনায় চলমান তদন্তে বাধা তৈরি হয়েছে। এই অভিযান সম্পূর্ণ প্রমাণভিত্তিক এবং কোনো রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যে নয়। কোনো রাজনৈতিক দলের অফিস তল্লাশি করা হয়নি, এটি কোনো নির্বাচনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
অন্যদিকে, মমতা ব্যানার্জী এই অভিযানকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘তারা আমাদের সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করতে চাইছে। আমি প্রাতিককে ফোন করেছি, যিনি আমার দলের দায়িত্বে আছেন। আমি দলীয় ফাইল সংগ্রহ করেছি। ইডি আমাদের অভ্যন্তরীণ তথ্য এবং প্রার্থী তালিকা চাইছে। এটা কি ইডি ও অমিত শাহের দায়িত্ব?’ সূত্র: ইত্তেফাক